বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, যেখানে মিশ্র সংস্কৃতির মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম নির্ভয়ে পালন করে আসছে এমন মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। তিনি বলেন, আবহমানকাল ধরে এ দেশে ধর্মীয় সহমর্মিতা ও অপূর্ব মেলবন্ধন রচিত হয়েছে, যেখানে একসাথে মসজিদে আযান ধ্বনিত হয়, পাশে মন্দিরে পূজা হয় এখানে কোনো বিরোধ নেই।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারী) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সরস্বতী পূজা উপলক্ষে চবি সনাতন ধর্ম পরিষদের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় মন্দিরে আয়োজিত ‘শ্রীপঞ্চমীর শুভেচ্ছা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চবি উপাচার্য বলেন, সরস্বতী হচ্ছেন বিদ্যার দেবী, এজন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে সরস্বতী পূজা জাঁকজমকভাবে পালিত হয়। আমাদের ক্যাম্পাসজুড়ে আড়ম্বরপূর্ণভাবে সরস্বতী পূজা পালিত হচ্ছে, যা আমাদের ক্যাম্পাসের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন। তিনি আরও বলেন, ধর্ম শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য। কোনো ধার্মিক মানুষ কারো অকল্যাণ কামনা করতে পারে না। ধর্মের সাথে সম্পর্ক রাখলে কারো দ্বারা খারাপ কাজ, গুজব রটানো, টাকা নিয়োগ দেওয়া এবং কোনো অপকর্ম করা সম্ভব না।
অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বক্তার বক্তব্য দেন চবি অর্থনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. জ্যোতি প্রকাশ দত্ত। স্বাগত বক্তা ছিলেন বাণী অর্চনা ২০২৬ চবির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ নাথ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন চবি কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি প্রফেসর ড. অঞ্জন কুমার চৌধুরী ও বাণী অর্চনা ২০২৬ চবির সদস্য সচিব পূর্ণিমা রাধে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সনাতন ধর্ম পরিষদ চবির সভাপতি প্রফেসর ড. তাপসী ঘোষ রায় এবং সঞ্চালনা করেন চবি মার্কেটিং বিভাগের প্রফেসর ড. সজীব কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং দর্শনার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
শু/সবা






















