০১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ, সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ

গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে রংপুরের প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে রংপুর মহানগর ও জেলা পুলিশ সদস্যদের পৃথক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের নিয়ে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো পরিস্থিতিতেই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রচারণা শেষ হওয়ার পর মাঠে নীরবতা নেমে এসেছে। তবে চায়ের দোকান, বাজার কিংবা মোড়ে মোড়ে আলোচনার বিষয় এখন শুধুই ভোট। প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া তরুণ ভোটারদের মধ্যে যেমন উৎসাহ দেখা যাচ্ছে, তেমনি প্রবীণ ভোটাররাও আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, রংপুরের ৬টি আসনে উৎসবমুখর, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে ৮৭৩টি ভোটকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে কড়াকড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মাঠে দায়িত্বে রয়েছেন ৫৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে তারা উপস্থিত থাকবেন। ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা এবং বডি ওর্ন ক্যামেরাও। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী সাধারণ, গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এই তিন ভাগে ভাগ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া ভোটগ্রহণের আগের রাত থেকেই কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

রংপুর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান বলেন,
“সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম বা সহিংসতার সুযোগ দেওয়া হবে না।”

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরাও দায়িত্বে থাকবেন। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী বলেন,
“ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত টহল থাকবে। গুজব বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে পৌর ভবনের সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণ

রংপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ, সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ

আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে রংপুরের প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে রংপুর মহানগর ও জেলা পুলিশ সদস্যদের পৃথক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের নিয়ে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো পরিস্থিতিতেই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রচারণা শেষ হওয়ার পর মাঠে নীরবতা নেমে এসেছে। তবে চায়ের দোকান, বাজার কিংবা মোড়ে মোড়ে আলোচনার বিষয় এখন শুধুই ভোট। প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া তরুণ ভোটারদের মধ্যে যেমন উৎসাহ দেখা যাচ্ছে, তেমনি প্রবীণ ভোটাররাও আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, রংপুরের ৬টি আসনে উৎসবমুখর, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে ৮৭৩টি ভোটকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে কড়াকড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মাঠে দায়িত্বে রয়েছেন ৫৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে তারা উপস্থিত থাকবেন। ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা এবং বডি ওর্ন ক্যামেরাও। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী সাধারণ, গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এই তিন ভাগে ভাগ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া ভোটগ্রহণের আগের রাত থেকেই কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

রংপুর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান বলেন,
“সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম বা সহিংসতার সুযোগ দেওয়া হবে না।”

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরাও দায়িত্বে থাকবেন। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী বলেন,
“ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত টহল থাকবে। গুজব বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শু/সবা