জ্বালানি নিয়ে আতঙ্কের প্রয়োজন নেই, সরবরাহ স্বাভাবিক: বাণিজ্যমন্ত্রী » দৈনিক সবুজ বাংলা
০২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি নিয়ে আতঙ্কের প্রয়োজন নেই, সরবরাহ স্বাভাবিক: বাণিজ্যমন্ত্রী

জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

শুক্রবার বিকেলে সিলেট নগরের তোপখানায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, অযথা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

মন্ত্রী বলেন, “আমি যদি আতঙ্কিত হই, আমার পাশের মানুষও আতঙ্কিত হবেন। এভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু বাস্তবে এখনো এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যার কারণে আতঙ্কিত হতে হবে।”

তিনি জানান, বর্তমানে পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও স্থিতিশীল। “আপনি পাম্পে গেলে তেল পাচ্ছেন, সুইচ টিপলে বিদ্যুৎ পাচ্ছেন—তাহলে সমস্যা কোথায়?”—প্রশ্ন রাখেন তিনি।

সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো এবারও সরকার দায়িত্বশীলভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে এবং জনগণের সহযোগিতা এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভরশীল একটি নির্দিষ্ট ফর্মুলার ভিত্তিতে দাম নির্ধারণ করা হয়। বিশেষ করে সৌদি আরামকোর সিপি প্রাইস বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। তিনি জানান, আগে যেখানে ক্রুড অয়েলের দাম ছিল ৫৫–৬০ ডলার, তা এখন বেড়ে ১১৬ ডলারে পৌঁছেছে।

তবে সরকার জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সবশেষে তিনি সবাইকে সচেতন ও সাশ্রয়ীভাবে জ্বালানি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে আমদানি ব্যয় কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও হ্রাস পাবে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে পাস ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ বিল-২০২৬

জ্বালানি নিয়ে আতঙ্কের প্রয়োজন নেই, সরবরাহ স্বাভাবিক: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:০৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

শুক্রবার বিকেলে সিলেট নগরের তোপখানায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, অযথা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

মন্ত্রী বলেন, “আমি যদি আতঙ্কিত হই, আমার পাশের মানুষও আতঙ্কিত হবেন। এভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু বাস্তবে এখনো এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যার কারণে আতঙ্কিত হতে হবে।”

তিনি জানান, বর্তমানে পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও স্থিতিশীল। “আপনি পাম্পে গেলে তেল পাচ্ছেন, সুইচ টিপলে বিদ্যুৎ পাচ্ছেন—তাহলে সমস্যা কোথায়?”—প্রশ্ন রাখেন তিনি।

সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো এবারও সরকার দায়িত্বশীলভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে এবং জনগণের সহযোগিতা এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভরশীল একটি নির্দিষ্ট ফর্মুলার ভিত্তিতে দাম নির্ধারণ করা হয়। বিশেষ করে সৌদি আরামকোর সিপি প্রাইস বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। তিনি জানান, আগে যেখানে ক্রুড অয়েলের দাম ছিল ৫৫–৬০ ডলার, তা এখন বেড়ে ১১৬ ডলারে পৌঁছেছে।

তবে সরকার জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সবশেষে তিনি সবাইকে সচেতন ও সাশ্রয়ীভাবে জ্বালানি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে আমদানি ব্যয় কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও হ্রাস পাবে।

শু/সবা