নওগাঁথ বদলগাছী উপজেলার ৪ নং মিঠাপুর ইউনিয়নের জগপাড়া গ্রামটির কতিপয় ব্যাক্তি ৭৮ বছর ধরে চৌলায় মদ উৎপাদনের ধারা বাহিকতা বজাই রেখে চলেছে বলে জানা গেছে। জগপাড়া গ্রামের এবং এলাকার কতিপয় প্রবীন ব্যাক্তি বলেন, ব্রিটিশ আমলের শেষ দিক থেকে জগপাড়া গ্রামে দুই/ এক জন ব্যাক্তি চোলাই মদ উৎপাদন ও বেচা কেনা শুরু করে। পাকিস্তান আমল জুরে সেই সংখ্যা ৮/১০ জনে উন্নীত হয় । ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে জগপাড়া গ্রামে চোলাই মদ উৎপাদন ও বিক্রিকারীর সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়ে এই রির্পোট লেখাকালীন সময় পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জনগণের অভিযোগে প্রকাশ। ফলে এলাকার যুব সমাজসহ বিভিন্ন বয়সীরা অধিকহারে নেশাগ্রস্ত হয়ে তাদের অজান্তের ধ্বংশের পথে ধাপিত হচ্ছে। প্রশাসনের লোকজন মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে দুই/ একজনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করে থাকে । তবু থেমে থাকেনা চোলাই মদ উৎপাদন ও বেচা কেনা । কারণ তাদের স্ত্রী ও পুত্ররা চোলাই মদ উৎপাদন ও বেচা কেনা অব্যাহত রাখে। এছাড়াও কতিপয় ব্যক্তি গাঁজা সহ অন্যান্য মাদক ব্যবসায় জরিত আছে বলে জনগনের ভ্যাষে জানা যায় ।
উৎপাদন প্রক্রিয়া- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চোলাই মদ উৎপাদন ও বিক্রেতারা বলেন, মাটির তৈরী খালি গুরের ডাবরে গুর পানি দিয়ে তাতে ইষ্ট, নিশাদল ও ইউরিয়া সার সংমিশ্রন করে ডাবরগুলো বাড়ী, পুকুড় পাড়ে, বাঁশঝাড়ে ও জংগলে রেখে ৬/৭দিন পর জাওয়াই রুপান্তরিত হলে, এই জাওয়া সিলভারে বড় পাতিল চুলাই বসিয়ে তাতে পরিমানমত জাওয়া দেওয়ার পর এই পাতিলের উপর মাটির পাতিল যার নীচে ফুটো থাকে তার ভিতরে তিনকাঠি দিয়ে তার উপর ছোট মাটির পাতিল বা ভার বসিয়ে এর সঙ্গে একটি স্যালাইনের নল সংযোক করে বাহিরে বোতলের মধ্যে রাখা হয় এবং এর উপরে পনি ভর্তি মাঝারি সিলভরের পাতিল বসিয়ে চুলাই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে উপরের পাতিলের পানি ফুটন্ত অবস্থায় কয়েকবার পরিবর্তন করিলে সংযোগকৃত নল দিয়ে চোলাই মদ বোতলে পড়ে। এর পর চোলাই মদ কন্টিনারে রাখা হয়। কন্টিনার থেকে চোলাই মদ প্লাষ্টিকের ছোট বড় বোতলে ভরে বেচা কেনা করা হয় খুরচা হিসাবে, আর ছোট বড় কন্টিনারে পাইকারী বেচা কেনা করা হয়। বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ লুৎফর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।জগপাড়া গ্রামে আবারো অভিযান পরিচালনা করবেন।
শু/সবা























