প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অভিযোগ করেছেন, দেশে আগে কখনো জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করা হয়নি। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিআইআইএসএস আয়োজিত সেমিনারে তিনি বলেন, “উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো জ্বালানি নিরাপত্তা ব্যবস্থা পাইনি; বরং যা ছিল, তা কমেছে।”
তিনি উল্লেখ করেন, ইস্টার্ন রিফাইনারির কৌশলগত মজুত এক সময় ৩০ দিনের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্ষম হলেও বর্তমানে তা ১৭ দিনে নেমে এসেছে। পূর্ববর্তী সরকার স্বজনপ্রীতিমূলক নীতিতে দাম বৃদ্ধি করলেও জনস্বার্থে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেনি।
তিতুমীর বলেন, বর্তমান সরকার সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত জ্বালানি কৌশল গ্রহণ করেছে। এতে জীবাশ্ম জ্বালানি, নবায়নযোগ্য শক্তি ও পারমাণবিক শক্তির সমন্বয়ে উৎস বৈচিত্র্য আনা হবে। পাশাপাশি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মতো বহুপাক্ষিক সংস্থা থেকে অর্থায়ন নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১ লাখ ৩৮ হাজার টন ডিজেল এবং ৭১ হাজার টন অকটেন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সরকারের পরিকল্পনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৈদ্যুতিক যানবাহন আমদানিতে শুল্ক শূন্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা নগরের বায়ুদূষণ কমাতে সাহায্য করবে।
অর্থনীতির অন্যান্য উদ্যোগ হিসেবে দারিদ্র্যরোধে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, কৃষক কার্ড এবং শিল্পখাতে বৈচিত্র্য আনা হচ্ছে। তিতুমীর বলেন, “সংকটকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে সহনশীলতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে দেশ এগিয়ে যাবে।”
























