রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান রাখাইনেই—আন্তর্জাতিক ভূমিকা জোরদারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর » দৈনিক সবুজ বাংলা
০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান রাখাইনেই—আন্তর্জাতিক ভূমিকা জোরদারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইন রাজ্য-এই নিহিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মানবিক সহায়তায় সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরাম–২০২৬-এর একটি সেশনে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সহায়তা কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি অর্থায়ন বৃদ্ধি, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি—উভয় পক্ষই তাকে স্বাগত জানিয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা। তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ ও ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংকট সমাধানে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় শিক্ষার্থীসহ ৪ খুনের ঘটনায় সন্দেহভাজন ভাগনেসহ ৩ জন আটক

রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান রাখাইনেই—আন্তর্জাতিক ভূমিকা জোরদারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৫:০৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইন রাজ্য-এই নিহিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মানবিক সহায়তায় সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরাম–২০২৬-এর একটি সেশনে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সহায়তা কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি অর্থায়ন বৃদ্ধি, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি—উভয় পক্ষই তাকে স্বাগত জানিয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা। তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ ও ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংকট সমাধানে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

শু/সবা