৫২ আসনের বাসের ভাড়া নির্ধারণ থাকলেও বাস্তবে সেই আসনসংখ্যার কোনো সুনির্দিষ্ট ভাড়ার তালিকা নেই বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির দাবি, আরামদায়ক ৪০ আসনের বাস দেখিয়ে ৫২, ৫৫ ও ৬০ আসনের বাস থেকেও বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামার অজুহাতে মালিকপক্ষ একতরফাভাবে ভাড়া বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যেখানে যাত্রীদের কোনো মতামত নেওয়া হচ্ছে না। এতে যাত্রীরা নিয়মিত হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়ার চাপের মুখে পড়ছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দূরপাল্লার ও স্বল্প দূরত্বের ভাড়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম মানা হচ্ছে না এবং ডিজেল ও সিএনজিচালিত বাসের আলাদা ভাড়ার বিধান থাকলেও বাস্তবে তা অনুসরণ করা হয় না।
সংগঠনটি দাবি করেছে, জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বাড়ার প্রেক্ষিতে বাসভাড়া সর্বোচ্চ ১৫ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানো যৌক্তিক হতে পারে। এ বিষয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
শু/সবা
























