2:27 pm, Sunday, 3 May 2026

জামায়াত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি ছিল: আইনমন্ত্রী

জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালে স্বাধীনতারবিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, দলটি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল এবং এ বিষয়ে এখন আর কোনো নৈতিক বিতর্কের সুযোগ নেই।

শুক্রবার (১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) আইন-২০২৬ সংসদে পাস হওয়ার সময় জামায়াত এর বিরোধিতা করেনি। তাদের নীরবতাকেই তিনি সম্মতির লক্ষণ হিসেবে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এনসিপি লিখিতভাবে এই আইনের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।

তিনি বলেন, সংসদে পাস হওয়া এই আইনের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার একটি সুস্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় সহযোগী—রাজাকার, আলবদর, আলশামসসহ স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করেছে, তারাই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, জামায়াতের পূর্বসূরিরা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেনি—এমন দাবি করার কোনো নৈতিক ভিত্তি নেই। সংসদের মাধ্যমে আইন পাসের মধ্য দিয়ে বিষয়টি এখন প্রতিষ্ঠিত সত্যে পরিণত হয়েছে।

এসময় অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান তুর্কিসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শু/সবা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

18 − sixteen =

About Author Information

জামায়াত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি ছিল: আইনমন্ত্রী

Update Time : ০৪:৫২:৪০ pm, Friday, ১ মে ২০২৬

জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালে স্বাধীনতারবিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, দলটি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল এবং এ বিষয়ে এখন আর কোনো নৈতিক বিতর্কের সুযোগ নেই।

শুক্রবার (১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) আইন-২০২৬ সংসদে পাস হওয়ার সময় জামায়াত এর বিরোধিতা করেনি। তাদের নীরবতাকেই তিনি সম্মতির লক্ষণ হিসেবে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এনসিপি লিখিতভাবে এই আইনের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।

তিনি বলেন, সংসদে পাস হওয়া এই আইনের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার একটি সুস্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় সহযোগী—রাজাকার, আলবদর, আলশামসসহ স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করেছে, তারাই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, জামায়াতের পূর্বসূরিরা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেনি—এমন দাবি করার কোনো নৈতিক ভিত্তি নেই। সংসদের মাধ্যমে আইন পাসের মধ্য দিয়ে বিষয়টি এখন প্রতিষ্ঠিত সত্যে পরিণত হয়েছে।

এসময় অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান তুর্কিসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শু/সবা