9:23 pm, Friday, 8 May 2026

নারী নিরাপত্তা পরীক্ষা করতে গিয়ে তিন ঘণ্টায় ৪০ জনের হয়রানির শিকার নারী পুলিশ কমিশনার

ভারতের হায়দরাবাদ-এর মালকাজগিরির নারী পুলিশ কমিশনার সুমতি নারীদের রাতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি যাচাই করতে গিয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, একদিন রাত সাড়ে ১২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত একটি বাসস্টপে সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে একা দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। এই সময়ের মধ্যেই অন্তত ৪০ জন পুরুষ তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তার চেষ্টা করে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বেশিরভাগই মদ বা গাঁজার প্রভাবে ছিল। তাদের মধ্যে অনেকেই শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবী তরুণ। তবে কেউই জানতেন না যে, যাকে তারা বিরক্ত করছে তিনি একজন পুলিশ কমিশনার।

পরবর্তীতে সিসিটিভি ও নজরদারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত ও আটক করা হয়। তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে কাউন্সেলিং ও সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রায় ২৫ বছর আগেও একই ধরনের একটি পরীক্ষা চালিয়েছিলেন সুমতি। তখন তিনি রেলস্টেশনে ছদ্মবেশে অবস্থান করে নারীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।

সুমতি বর্তমানে তেলেঙ্গানা রাজ্যের একজন জ্যেষ্ঠ আইপিএস কর্মকর্তা। এর আগে তিনি রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া মাওবাদী বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্যও তিনি পরিচিত।

শু/সবা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

eight + fifteen =

About Author Information

Popular Post

 অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী: মির্জা ফখরুল

নারী নিরাপত্তা পরীক্ষা করতে গিয়ে তিন ঘণ্টায় ৪০ জনের হয়রানির শিকার নারী পুলিশ কমিশনার

Update Time : ০৪:২০:৩৬ pm, Friday, ৮ মে ২০২৬

ভারতের হায়দরাবাদ-এর মালকাজগিরির নারী পুলিশ কমিশনার সুমতি নারীদের রাতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি যাচাই করতে গিয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, একদিন রাত সাড়ে ১২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত একটি বাসস্টপে সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে একা দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। এই সময়ের মধ্যেই অন্তত ৪০ জন পুরুষ তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তার চেষ্টা করে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বেশিরভাগই মদ বা গাঁজার প্রভাবে ছিল। তাদের মধ্যে অনেকেই শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবী তরুণ। তবে কেউই জানতেন না যে, যাকে তারা বিরক্ত করছে তিনি একজন পুলিশ কমিশনার।

পরবর্তীতে সিসিটিভি ও নজরদারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত ও আটক করা হয়। তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে কাউন্সেলিং ও সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রায় ২৫ বছর আগেও একই ধরনের একটি পরীক্ষা চালিয়েছিলেন সুমতি। তখন তিনি রেলস্টেশনে ছদ্মবেশে অবস্থান করে নারীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।

সুমতি বর্তমানে তেলেঙ্গানা রাজ্যের একজন জ্যেষ্ঠ আইপিএস কর্মকর্তা। এর আগে তিনি রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া মাওবাদী বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্যও তিনি পরিচিত।

শু/সবা