সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশর সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।
সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আমরা এখনো কাঙ্ক্ষিত সুনাম অর্জন করতে পারিনি। এ বিষয়ে বিস্তারিত বলব না, কারণ এর সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তির বিষয় জড়িত।”
ট্যুরিস্ট পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইজিপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয় এবং পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়াতে বডি ক্যামেরার ব্যবহার বাড়ানো হবে। ভবিষ্যতে সব পর্যায়ে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে সব কার্যক্রম রেকর্ড করা থাকে।
তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বলপ্রয়োগ নীতির বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অপরাধ দমন ও তদন্ত কার্যক্রমে মানবাধিকার সমুন্নত রেখেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেখানে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এপিবিএন, পুলিশ, কোস্টগার্ড, বিজিবি ও সেনাবাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে। বিশেষ অভিযানের ক্ষেত্রে যৌথ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাহিনীটির জন্য আলাদা আইনি কাঠামো তৈরির কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পুলিশকে হতে হবে জনগণের প্রকৃত বন্ধু। প্রতিটি থানায় আগত সেবাগ্রহীতা যেন কোনো হয়রানি ছাড়াই আইনি সহায়তা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে এবং চেইন অব কমান্ড ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সবুজ বাংলা ডিজিটাল রিপোর্ট 























