7:06 pm, Saturday, 23 May 2026

ঈদ সামনে রেখে রংপুরে জমে উঠেছে গবাদি পশুর হাট

রংপুর জুড়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে জমে উঠেছে গবাদি পশুর হাট। গত সপ্তাহেও ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও শুক্রবার থেকে হাটগুলোতে কেনাবেচা বেড়েছে।

নগরীর সবচেয়ে বড় পশুর হাট লালবাগ–এ ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরুর ব্যাপক সরবরাহ দেখা গেছে। বিক্রেতারা জানান, ছোট আকারের গরুর দাম ৭০ থেকে ৯০ হাজার টাকা, মাঝারি গরুর দাম প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং বড় গরুর দাম আড়াই লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকার মধ্যে। কিছু বড় আকারের গরুর দাম ৪ থেকে ৫ লাখ টাকাও চাওয়া হচ্ছে।

হাট ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দরদাম, হাঁকডাক ও পশু বাছাইয়ে পুরো হাট এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বুড়িরহাট এবং পাওটানা হাট–সহ বিভিন্ন পশুর হাটে স্থানীয়দের পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকেও ব্যবসায়ীরা গরু কিনতে এসেছেন।

খামারিরা বলছেন, গরু পালনে খাদ্য, খড়, ভুসি, খৈল ও ওষুধের খরচ অনেক বেড়েছে। তবে সেই তুলনায় তারা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, গরুর দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। তাই অনেকে দরদাম করলেও কিনছেন না, আরও কম দামের আশায় অপেক্ষা করছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর জেলায় মোট গবাদি পশুর হাট রয়েছে ৭৪টি। এর মধ্যে ২৩টি স্থায়ী ও ৫১টি অস্থায়ী হাট।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবার রংপুর বিভাগে কোরবানির পশুর চাহিদা ১৪ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭টি। এর বিপরীতে প্রস্তুত রয়েছে ২০ লাখ ২৩ হাজার ৬৭টি পশু। ফলে প্রায় ৫ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

শু/সবা
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

10 − 4 =

About Author Information

Popular Post

গাজা যুদ্ধকালীন ইসরায়েলকে যেভাবে অস্ত্র জুগিয়েছে ৫১টি দেশ

ঈদ সামনে রেখে রংপুরে জমে উঠেছে গবাদি পশুর হাট

Update Time : ০৬:৫৪:১৩ pm, Saturday, ২৩ মে ২০২৬

রংপুর জুড়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে জমে উঠেছে গবাদি পশুর হাট। গত সপ্তাহেও ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও শুক্রবার থেকে হাটগুলোতে কেনাবেচা বেড়েছে।

নগরীর সবচেয়ে বড় পশুর হাট লালবাগ–এ ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরুর ব্যাপক সরবরাহ দেখা গেছে। বিক্রেতারা জানান, ছোট আকারের গরুর দাম ৭০ থেকে ৯০ হাজার টাকা, মাঝারি গরুর দাম প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং বড় গরুর দাম আড়াই লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকার মধ্যে। কিছু বড় আকারের গরুর দাম ৪ থেকে ৫ লাখ টাকাও চাওয়া হচ্ছে।

হাট ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দরদাম, হাঁকডাক ও পশু বাছাইয়ে পুরো হাট এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বুড়িরহাট এবং পাওটানা হাট–সহ বিভিন্ন পশুর হাটে স্থানীয়দের পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকেও ব্যবসায়ীরা গরু কিনতে এসেছেন।

খামারিরা বলছেন, গরু পালনে খাদ্য, খড়, ভুসি, খৈল ও ওষুধের খরচ অনেক বেড়েছে। তবে সেই তুলনায় তারা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, গরুর দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। তাই অনেকে দরদাম করলেও কিনছেন না, আরও কম দামের আশায় অপেক্ষা করছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর জেলায় মোট গবাদি পশুর হাট রয়েছে ৭৪টি। এর মধ্যে ২৩টি স্থায়ী ও ৫১টি অস্থায়ী হাট।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবার রংপুর বিভাগে কোরবানির পশুর চাহিদা ১৪ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭টি। এর বিপরীতে প্রস্তুত রয়েছে ২০ লাখ ২৩ হাজার ৬৭টি পশু। ফলে প্রায় ৫ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

শু/সবা