যশোরে দেড় বছর বয়সী আয়েশাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎ মায়ের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার দুপুরে শহরের খড়কি ধোপাপাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে। পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে বলে আয়েশাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিশুটির পিতা পিন্টু ও মা পারভীনাকে আটক করেছে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শুভাশিস রায় জানান, দুপুর ১২ টা ৫০ মিনিটে আয়েশাকে হাসপাতালে আনেন সৎ মা পারভীনসহ কয়েকজন। শিশুটি খেলার সময় পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে তথ্য দিয়ে ভর্তি করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য আয়েশাকে পাঠানো হয় শিশু ওয়ার্ডে।
শিশু বিভাগের সহকারি রেজিস্ট্রার ডা. আফসার আলী জানান, শিশুটিকে অক্সিজেনের পাশাপাশি সাকশন মেশিন দিয়ে সাকার করা হয়। কিন্তু তার শ্বাস পাওয়া যায়নি। তাকে মৃত অবস্থায় ওয়ার্ডে আনা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, আয়েশার মাথা,কপাল, মুখ গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে সৎ মা পারভীনা জানিয়েছেন, আয়েশারা দুই ভাই বোন। দু’টি সন্তান জেনে দেড় বছর আগে তিনি পিন্টুকে বিয়ে করেন। নিজের সন্তান ভেবে তাদেরকে খুব আদর করতেন। শনিবার অতিরিক্ত শীতে হঠাৎ মাটিতে পড়ে যায় আয়েশা। অজ্ঞান অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশু আয়েশাকে হত্যার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।
তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শিশু আয়েশাকে সৎ মা পারভীনা হত্যা করেছে। ঘটনা ভিন্নখাতে নিতে পড়ে গিয়ে মারা গেছে বলে রটানো হচ্ছে। তারা আরও জানান, আয়েশার পিতা পিন্টু একজন রঙ মিস্ত্রি। সে কাজে বের হয়ে যাওয়ার পর পারভীনা আয়েশাকে প্রায় মারধর করে। গত ৩/৪ ধরে তাকে নির্যাতন করা হচ্ছিলো। শনিবার দুপুরে মারধরের পর অচেতন হয়ে পড়ে আয়েশা। হাসপাতালে আনার পর মৃত্যু হয় তার।
আয়েশার পিতা পিন্টু জানান, তার পৈত্রিক বাড়ি চাঁদপুরে। বর্তমানে যশোর শহরের খড়কি ধোপাপাড়ায় বসবাস করেন। তার প্রথম স্ত্রীর পর বিচ্ছেদ হওয়ার পর পারভীনকে বিয়ে করেন। তার শিশুকে সন্তানকে পারভীন খুব ভালোবাসে। আয়েশাকে তিনি (পারভীন) হত্যা করতে পারে এটা তার বিশ্বাস হচ্ছে না। পিন্টু জানান, তিনি কাজে ছিলেন। সন্তানের মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে এসেছেন। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই পলাশ বিশ্বাস জানান, সৎ মা পারভীন শিশু আয়েশাকে হত্যা করেছে বলে স্থানীয়রা পুলিশকে তথ্য দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকার কারণে আয়েশার মৃত্যু রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তার পিতা-মাতাকে আটক করা হয়েছে। হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শুভাশিস রায় জানান, দুপুর ১২ টা ৫০ মিনিটে আয়েশাকে হাসপাতালে আনেন সৎ মা পারভীনসহ কয়েকজন। শিশুটি খেলার সময় পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে তথ্য দিয়ে ভর্তি করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য আয়েশাকে পাঠানো হয় শিশু ওয়ার্ডে।
শিশু বিভাগের সহকারি রেজিস্ট্রার ডা. আফসার আলী জানান, শিশুটিকে অক্সিজেনের পাশাপাশি সাকশন মেশিন দিয়ে সাকার করা হয়। কিন্তু তার শ্বাস পাওয়া যায়নি। তাকে মৃত অবস্থায় ওয়ার্ডে আনা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, আয়েশার মাথা,কপাল, মুখ গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে সৎ মা পারভীনা জানিয়েছেন, আয়েশারা দুই ভাই বোন। দু’টি সন্তান জেনে দেড় বছর আগে তিনি পিন্টুকে বিয়ে করেন। নিজের সন্তান ভেবে তাদেরকে খুব আদর করতেন। শনিবার অতিরিক্ত শীতে হঠাৎ মাটিতে পড়ে যায় আয়েশা। অজ্ঞান অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশু আয়েশাকে হত্যার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।
তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শিশু আয়েশাকে সৎ মা পারভীনা হত্যা করেছে। ঘটনা ভিন্নখাতে নিতে পড়ে গিয়ে মারা গেছে বলে রটানো হচ্ছে। তারা আরও জানান, আয়েশার পিতা পিন্টু একজন রঙ মিস্ত্রি। সে কাজে বের হয়ে যাওয়ার পর পারভীনা আয়েশাকে প্রায় মারধর করে। গত ৩/৪ ধরে তাকে নির্যাতন করা হচ্ছিলো। শনিবার দুপুরে মারধরের পর অচেতন হয়ে পড়ে আয়েশা। হাসপাতালে আনার পর মৃত্যু হয় তার।
আয়েশার পিতা পিন্টু জানান, তার পৈত্রিক বাড়ি চাঁদপুরে। বর্তমানে যশোর শহরের খড়কি ধোপাপাড়ায় বসবাস করেন। তার প্রথম স্ত্রীর পর বিচ্ছেদ হওয়ার পর পারভীনকে বিয়ে করেন। তার শিশুকে সন্তানকে পারভীন খুব ভালোবাসে। আয়েশাকে তিনি (পারভীন) হত্যা করতে পারে এটা তার বিশ্বাস হচ্ছে না। পিন্টু জানান, তিনি কাজে ছিলেন। সন্তানের মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে এসেছেন। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই পলাশ বিশ্বাস জানান, সৎ মা পারভীন শিশু আয়েশাকে হত্যা করেছে বলে স্থানীয়রা পুলিশকে তথ্য দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকার কারণে আয়েশার মৃত্যু রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তার পিতা-মাতাকে আটক করা হয়েছে। হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে।




















