০৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যত্রতত্র হর্ন বাজালেই গুণতে হবে জরিমানা

যত্রতত্র হর্ন বাজালেই গুণতে হবে জরিমানা। অতিরিক্ত শব্দদূষণ থেকে জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং নাগরিক জীবনকে শান্তিময় করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারি বন, পরিবেশ এবং জলবায়ূ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন থেকে যত্রতত্র বা অননুমোদিত মাত্রায় হর্ন বাজালে শাস্তির মুখে পড়তে হবে চালকদের। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ বাস্তবায়নে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অতিমাত্রায় শব্দদূষণ বর্তমানে এক নীরব ঘাতক হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, উচ্চ শব্দের কারণে মানুষের শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়া, আংশিক বা পুরোপুরি বধিরতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং অনিদ্রার মতো জটিল শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এমনকি এটি গর্ভবতী মা ও অনাগত শিশুর জন্য ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি করছে। শব্দদূষণের ফলে গর্ভপাত কিংবা জন্মগতভাবে বধির ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর জন্ম হওয়ার সম্ভাবনা প্রকট হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হাসপাতালের রোগী, শিক্ষার্থী, ট্রাফিক পুলিশ এবং রাস্তার পথচারীরা। সামগ্রিকভাবে এই দূষণ দেশের মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

যত্রতত্র হর্ন বাজালেই গুণতে হবে জরিমানা

আপডেট সময় : ০৮:২০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

যত্রতত্র হর্ন বাজালেই গুণতে হবে জরিমানা। অতিরিক্ত শব্দদূষণ থেকে জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং নাগরিক জীবনকে শান্তিময় করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারি বন, পরিবেশ এবং জলবায়ূ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন থেকে যত্রতত্র বা অননুমোদিত মাত্রায় হর্ন বাজালে শাস্তির মুখে পড়তে হবে চালকদের। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ বাস্তবায়নে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অতিমাত্রায় শব্দদূষণ বর্তমানে এক নীরব ঘাতক হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, উচ্চ শব্দের কারণে মানুষের শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়া, আংশিক বা পুরোপুরি বধিরতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং অনিদ্রার মতো জটিল শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এমনকি এটি গর্ভবতী মা ও অনাগত শিশুর জন্য ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি করছে। শব্দদূষণের ফলে গর্ভপাত কিংবা জন্মগতভাবে বধির ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর জন্ম হওয়ার সম্ভাবনা প্রকট হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হাসপাতালের রোগী, শিক্ষার্থী, ট্রাফিক পুলিশ এবং রাস্তার পথচারীরা। সামগ্রিকভাবে এই দূষণ দেশের মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এমআর/সবা