চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাখিভ্যানের সাথে ধাক্কায় ইশরাক নাঈম মুন্না (২৫) নামের এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন।
আজ সোমবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির।
নিহত ইশরাক নাঈম মুন্না দামুড়হুদা স্টেডিয়াম পাড়ার আব্দুল মোমিনের ছেলে এবং আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি ২য় বর্ষের ছাত্র। এর আগে বেলা দুইটার দিকে দামুড়হুদা-কার্পাসডাঙ্গা সড়কের পূর্বাশা বাস কাউন্টারের সামনে দুর্ঘটনায় তিনি মারাত্মক জখম হন।
প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার দুপুরে মোটরসাইকেলযোগে চালের বস্তা নিয়ে দামুড়হুদা উপজেলা গেটে নিজেদের হোটেলে যাচ্ছিলেন মুন্না। পথের মধ্যে দামুড়হুদা-কার্পাসডাঙ্গা সড়কের পূর্বাশা বাস কাউন্টারের সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাখিভ্যানের সাথে ধাক্কা মারেন। এসময় তিনি মাথায় মারাত্মক আঘাত পেয়ে জখম হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়।
নিহত মুন্না হোসেনের মা হাসিনা বেগম জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে তার ছেলের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী নেয়ার পরামর্শ দেয়। পরে রাজশাহী নেয়ার পথে ঈশ্বরদী পৌঁছালে মুন্না মারা যান।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাদিয়া মা আরিজ সবুজ বাংলাকে বলেন, তার মাথায় গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির সবুজ বাংলাকে জানান, দুর্ঘটনায় মারাত্মক জখম মুন্না রাজশাহী নেয়ার পথে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ এসে পৌঁছালে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স/মিফা




















