০৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উখিয়ায় সংর‌ক্ষিত বনভূ‌মি এখন পাড়া মহল্লা 

উখিয়ায় সংর‌ক্ষিত বনভু‌মি পাড়া মহল্লায় প‌রিনত হ‌য়ে‌ছে। উপ‌জেলার বি‌ভিন্ন স্থা‌নে প্রতি‌দিন বনভু‌মি জবর দখল ক‌রে গ‌ড়ে উঠ‌ছে পাকা দালান ও বহুতল ভবন।

স‌রেজ‌মিন, উপ‌জেলা সদ‌র পাতাবা‌ড়ি, লম্বা‌ঘোনা, শৈলর‌ঢেবা, হাঙ্গর‌ঘোনা, হাজ‌মিরপাড়া, বৌদ্ধম‌ন্দির এলাকা, ‌শৈলর‌ঢেবা, শিলেরছড়া, কুতুপালং, হাইও‌য়ে পু‌লিশ ফা‌ড়ি এলাকা ঘু‌রে দেখা যায়, সরকা‌রের সংর‌ক্ষিত বনভু‌মি‌তে প্রতিেযে‌গিতা মুলক পাকাদালান নির্মাণ করা হ‌চ্ছে। বহুতল ভবন, দোকানপাট, ভাড়া‌টিয়া ঘর, গোদামঘর সহ নানা স্থাপনা অব‌্যাহতভা‌বে গ‌ড়ে উঠছে।

এক‌শ্রেণীর পেশাধা‌রি বনসম্পদ লুন্ঠনকা‌রি সি‌ন্ডি‌কেট এসব এলাকায় গৃহ নির্মা‌ণের মৌ‌খিক অনু‌মোদন দি‌য়ে লাখ লাখ টাকা হা‌তি‌য়ে নি‌চ্ছে ব‌লে অ‌ভি‌যোগ র‌য়ে‌ছে। এ অপক‌র্মের সা‌থে র‌য়ে‌ছেন সরকা‌রের বনসম্পদ রক্ষা সং‌শ্লিস্ট পাহাদার, জায়গীরদার, হেডম‌্যানসহ তা‌দের গোপনীয় নিযুক্ত লোক‌। এসব ভু‌মিদস‌্যুরা মোটর সাইকেল যোগে বনভু‌মির বি‌ভিন্ন স্থা‌নে হানা দেয় আর নির্মাণা‌ধিন বস‌তি‌দের কাছ কা‌ড়ি কা‌ড়ি টাকা হা‌তি‌য়ে নেয়। প‌রে সময়ম‌ত এসব অ‌বৈধ অর্থ যোগসাজ‌শি কর্মকর্তা কর্মচা‌রি ও জায়গীরদার‌দের ম‌ধ্যে বন্টন হয়।

সম্প্রতি জানা গে‌ছে, প‌রি‌বেশবাদী সংগঠ‌নের বেসরকা‌রি স‌মিক্ষা ম‌তে উখিয়া সদর সহ থাইংখালী হ‌তে কুতুপালং পর্যন্ত বনভু‌মি বেচাকেনার হি‌ড়িক প‌ড়ে‌ছে। বর্তমা‌নে বনভু‌মির বাজার মুল‌্য কা‌নি (৪০ ডি‌সিমল) ৪০ থে‌কে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠে‌ছে। এসব অ‌বৈধ ব‌্যবসা‌কে মাথায় রে‌খে এক‌শ্রেণী ভু‌মিদস‌্যুরা মাটি বি‌ক্রি,পাহাড়কর্তন, ভু‌মির শ্রেণী প‌রিবর্তন সহ নানা অ‌বৈধ কর্মকান্ড ক‌রছে অবা‌ধে। প‌রে সু‌বিধাজক সম‌য়ে এসব ভু‌মি লাখ লাখ টাকায় বিক্রি ক‌রে দখল হস্থান্তর কর‌ছে।

এসব বনভু‌মি‌তে টিন‌শেড় পাকাঘর, বহুতল ভবন তৈ‌রি‌তেও কো‌নো বাধা নেই। কেন না ‌নির্মাণ সামগ্রী মজু‌দের প্রাক্কা‌লে সংঘবদ্ধ বনরক্ষা সং‌শ্লিষ্টা‌দের আর্থিক বুঝাপড়ার পরই ঘর উঠা‌নোর অনুম‌তি বলবৎ হয়। ‌যে কার‌ণে বনভু‌মি ক্রয়ে ক্রেতা‌দের কো‌নো অ‌ভিযা‌নের ডরভয় নেই বল‌লেই চ‌লে।

বনভু‌মি‌তে বসবাসরত নাম প্রকা‌শে অ‌নিচ্ছুক একা‌ধিক বস‌তিরা জা‌নি‌য়ে‌ছেন, বনসং‌শ্লিষ্ট‌দের মে‌নেজ বা আর্থিক  চু‌ক্তি না ক‌রে ঘর নির্মাণ তো দু‌রের কথা পা‌ন‌ক্ষে‌তের জন‌্য বা‌শেঁর টেংরাও অসম্ভব। তারা আরও জা‌নি‌য়ে‌ছেন, বনসং‌শ্লিষ্ট‌দের প‌ক্ষের ক‌থিপয় অপসাংবা‌দিক‌দেরকে টাকা দি‌তে হয়। সম্প্রতি পাতাবাড়ি এলাকায় এক‌টি গৃহ‌নির্মা‌ণের সময় ক‌থিপয় গনমাধ‌্যমকর্মী ওই ঘ‌রের মা‌লিককে ভয় দে‌খি‌য়ে প্রায় ৭০হাজার টাকা হা‌তি‌য়ে নেয়ার ঘটনায় সমা‌জের স‌চেতন মহ‌লে মিশ্র প্রতি‌ক্রিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠে‌ছে।

স‌রেজ‌মিন প‌রিদর্শণে দেখা গে‌ছে, থাইনখালী থে‌কে উখিয়া সদর পর্যন্ত হাইও‌য়ে সড়‌কের দুপা‌শে পাকাদালন, টিন‌শেড গৃহ, দোকানপাঠ, ভাড়া‌টিয়া পাকা ভবন সহ সহশ্রা‌ধিক দালান তৈ‌রি হ‌য়ে‌ছে। এসব দালা‌নের মা‌লি‌কদের নিকট জান‌তে চাইলে জানান, তা‌দের কো‌নো কাগজপত্র নেই, ত‌বে তারা সং‌শ্লিষ্ট‌দের আর্থিক পুর‌ণে বৈধতা নি‌য়ে তৈ‌রি ক‌রে‌ছে। এমন‌কি অর্থ যথাযত না হ‌লে বনমামলাও টু‌কি‌য়ে দেয়।

উখিয়া রে‌ঞ্জের কর্তা গা‌জি শ‌ফিউল আলমকে বনভু‌মি বেহাত হ‌য়ে যাওয়া বিষ‌য়ে জান‌তে চাইলে তি‌নি জানান, সম্প্রতি উখিয়া রে‌ঞ্জের অ‌ধি‌নে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর বনভু‌মি র‌য়ে‌ছে। এ ভু‌মি থে‌কে রো‌হিঙ্গা‌দের জন‌্য ৪হাজার হেক্টর বনভু‌মি তা‌দের বসবা‌সের জন‌্য ভু‌মিমন্ত্রনালয় ছে‌ড়ে দেয়। দুই হাজার স‌তের সা‌লের শেষা‌র্ধে এসব রো‌হিঙ্গারা যখন বসবাস শুরু ক‌রে তখন তারা সরকা‌রের বিপুল প‌রিমাণ ইউক্লিপ্টাস সহ নানা প্রজা‌তি গাছ গাছালী কে‌টে জ্বালানী হিসা‌বে ব‌্যবহার ক‌রে। এতে সরকা‌রের হাজার কোটি টাকার মত আর্থিক ক্ষ‌তি হ‌য়ে‌ছে। পাশাপা‌শি রাস্তাঘাট নির্মাণ ও পাহাড় কর্তন ক‌রে বি‌ভিন্ন এন‌জিও  কার্যালয় স্থাপ‌নে ভু‌মির নানারকম শ্রেনী প‌রিবর্তন হয়।

তি‌নি জানান, তার এ রে‌ঞ্জে আসার পর হ‌তে নিয়‌মিত টহল অ‌ভিযান প‌রিচালনা ক‌রে থা‌কেন। তার আগম‌নের পু‌র্বে প্রচুর বনভু‌মি‌ বেহাত হ‌য়ে‌ছে। স্থানীয় ও রো‌হিঙ্গারা দালাল ফ‌ড়িয়া‌দের ব‌্যবহার ক‌রে এসব জায়গা অ‌বৈধ দখল ক‌রে গৃহ নির্মাণ ক‌রে পাড়া মহল্লায় প‌রিনত করার জন‌্য উদ্বেগ জা‌নি‌য়ে‌ছেন।

এসব বিষ‌য়ে জান‌তে চাইলে, উখিয়া উপ‌জেলা সহকা‌রি ক‌মিশনার ভু‌মি মো: সা‌লেহ আহ‌মেদ জা‌নি‌য়ে‌ছেন, বিপুল প‌রিমাণ বনভু‌মি জবরদখল ও সেখা‌নে থাকা সরকা‌রি বনসম্পাদ উজাড় হওয়া খুবই উৎকন্ঠার বিষয়। রো‌হিঙ্গা ও স্থানীয় সহ পাশাপা‌শি বসবাসরত ৭লা‌খের অ‌ধিক জনসংখ‌্যার চা‌প সামলা‌নো ক‌ঠিন বিষয়। এরপ‌রেও অ‌ভিযান অব‌্যাহত র‌য়ে‌ছে। গত তিন মা‌সে প্রায় ডজনখা‌নে পাহা‌ড়ি মা‌টি বহনকা‌রি ডাম্পার আটক ক‌রে তা‌দের কা‌ছ থে‌কে জ‌রিমানা নি‌য়ে মুচ‌লেকায় ছে‌ড়ে দেয়া হয়।

এছাড়াও সম্প্রতি জানুয়ারিতে পশ্চিম রুমখাঁ ছাগল বাজার এলাকায় অবৈধভাবে কাঠ চিড়া‌য়ের কাঠ ছিড়াইয়ের করাতকল উচ্ছেদ করে উখিয়া থানায় মামলা করা হ‌য়ে‌ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় সংর‌ক্ষিত বনভূ‌মি এখন পাড়া মহল্লা 

আপডেট সময় : ০৮:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪

উখিয়ায় সংর‌ক্ষিত বনভু‌মি পাড়া মহল্লায় প‌রিনত হ‌য়ে‌ছে। উপ‌জেলার বি‌ভিন্ন স্থা‌নে প্রতি‌দিন বনভু‌মি জবর দখল ক‌রে গ‌ড়ে উঠ‌ছে পাকা দালান ও বহুতল ভবন।

স‌রেজ‌মিন, উপ‌জেলা সদ‌র পাতাবা‌ড়ি, লম্বা‌ঘোনা, শৈলর‌ঢেবা, হাঙ্গর‌ঘোনা, হাজ‌মিরপাড়া, বৌদ্ধম‌ন্দির এলাকা, ‌শৈলর‌ঢেবা, শিলেরছড়া, কুতুপালং, হাইও‌য়ে পু‌লিশ ফা‌ড়ি এলাকা ঘু‌রে দেখা যায়, সরকা‌রের সংর‌ক্ষিত বনভু‌মি‌তে প্রতিেযে‌গিতা মুলক পাকাদালান নির্মাণ করা হ‌চ্ছে। বহুতল ভবন, দোকানপাট, ভাড়া‌টিয়া ঘর, গোদামঘর সহ নানা স্থাপনা অব‌্যাহতভা‌বে গ‌ড়ে উঠছে।

এক‌শ্রেণীর পেশাধা‌রি বনসম্পদ লুন্ঠনকা‌রি সি‌ন্ডি‌কেট এসব এলাকায় গৃহ নির্মা‌ণের মৌ‌খিক অনু‌মোদন দি‌য়ে লাখ লাখ টাকা হা‌তি‌য়ে নি‌চ্ছে ব‌লে অ‌ভি‌যোগ র‌য়ে‌ছে। এ অপক‌র্মের সা‌থে র‌য়ে‌ছেন সরকা‌রের বনসম্পদ রক্ষা সং‌শ্লিস্ট পাহাদার, জায়গীরদার, হেডম‌্যানসহ তা‌দের গোপনীয় নিযুক্ত লোক‌। এসব ভু‌মিদস‌্যুরা মোটর সাইকেল যোগে বনভু‌মির বি‌ভিন্ন স্থা‌নে হানা দেয় আর নির্মাণা‌ধিন বস‌তি‌দের কাছ কা‌ড়ি কা‌ড়ি টাকা হা‌তি‌য়ে নেয়। প‌রে সময়ম‌ত এসব অ‌বৈধ অর্থ যোগসাজ‌শি কর্মকর্তা কর্মচা‌রি ও জায়গীরদার‌দের ম‌ধ্যে বন্টন হয়।

সম্প্রতি জানা গে‌ছে, প‌রি‌বেশবাদী সংগঠ‌নের বেসরকা‌রি স‌মিক্ষা ম‌তে উখিয়া সদর সহ থাইংখালী হ‌তে কুতুপালং পর্যন্ত বনভু‌মি বেচাকেনার হি‌ড়িক প‌ড়ে‌ছে। বর্তমা‌নে বনভু‌মির বাজার মুল‌্য কা‌নি (৪০ ডি‌সিমল) ৪০ থে‌কে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠে‌ছে। এসব অ‌বৈধ ব‌্যবসা‌কে মাথায় রে‌খে এক‌শ্রেণী ভু‌মিদস‌্যুরা মাটি বি‌ক্রি,পাহাড়কর্তন, ভু‌মির শ্রেণী প‌রিবর্তন সহ নানা অ‌বৈধ কর্মকান্ড ক‌রছে অবা‌ধে। প‌রে সু‌বিধাজক সম‌য়ে এসব ভু‌মি লাখ লাখ টাকায় বিক্রি ক‌রে দখল হস্থান্তর কর‌ছে।

এসব বনভু‌মি‌তে টিন‌শেড় পাকাঘর, বহুতল ভবন তৈ‌রি‌তেও কো‌নো বাধা নেই। কেন না ‌নির্মাণ সামগ্রী মজু‌দের প্রাক্কা‌লে সংঘবদ্ধ বনরক্ষা সং‌শ্লিষ্টা‌দের আর্থিক বুঝাপড়ার পরই ঘর উঠা‌নোর অনুম‌তি বলবৎ হয়। ‌যে কার‌ণে বনভু‌মি ক্রয়ে ক্রেতা‌দের কো‌নো অ‌ভিযা‌নের ডরভয় নেই বল‌লেই চ‌লে।

বনভু‌মি‌তে বসবাসরত নাম প্রকা‌শে অ‌নিচ্ছুক একা‌ধিক বস‌তিরা জা‌নি‌য়ে‌ছেন, বনসং‌শ্লিষ্ট‌দের মে‌নেজ বা আর্থিক  চু‌ক্তি না ক‌রে ঘর নির্মাণ তো দু‌রের কথা পা‌ন‌ক্ষে‌তের জন‌্য বা‌শেঁর টেংরাও অসম্ভব। তারা আরও জা‌নি‌য়ে‌ছেন, বনসং‌শ্লিষ্ট‌দের প‌ক্ষের ক‌থিপয় অপসাংবা‌দিক‌দেরকে টাকা দি‌তে হয়। সম্প্রতি পাতাবাড়ি এলাকায় এক‌টি গৃহ‌নির্মা‌ণের সময় ক‌থিপয় গনমাধ‌্যমকর্মী ওই ঘ‌রের মা‌লিককে ভয় দে‌খি‌য়ে প্রায় ৭০হাজার টাকা হা‌তি‌য়ে নেয়ার ঘটনায় সমা‌জের স‌চেতন মহ‌লে মিশ্র প্রতি‌ক্রিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠে‌ছে।

স‌রেজ‌মিন প‌রিদর্শণে দেখা গে‌ছে, থাইনখালী থে‌কে উখিয়া সদর পর্যন্ত হাইও‌য়ে সড়‌কের দুপা‌শে পাকাদালন, টিন‌শেড গৃহ, দোকানপাঠ, ভাড়া‌টিয়া পাকা ভবন সহ সহশ্রা‌ধিক দালান তৈ‌রি হ‌য়ে‌ছে। এসব দালা‌নের মা‌লি‌কদের নিকট জান‌তে চাইলে জানান, তা‌দের কো‌নো কাগজপত্র নেই, ত‌বে তারা সং‌শ্লিষ্ট‌দের আর্থিক পুর‌ণে বৈধতা নি‌য়ে তৈ‌রি ক‌রে‌ছে। এমন‌কি অর্থ যথাযত না হ‌লে বনমামলাও টু‌কি‌য়ে দেয়।

উখিয়া রে‌ঞ্জের কর্তা গা‌জি শ‌ফিউল আলমকে বনভু‌মি বেহাত হ‌য়ে যাওয়া বিষ‌য়ে জান‌তে চাইলে তি‌নি জানান, সম্প্রতি উখিয়া রে‌ঞ্জের অ‌ধি‌নে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর বনভু‌মি র‌য়ে‌ছে। এ ভু‌মি থে‌কে রো‌হিঙ্গা‌দের জন‌্য ৪হাজার হেক্টর বনভু‌মি তা‌দের বসবা‌সের জন‌্য ভু‌মিমন্ত্রনালয় ছে‌ড়ে দেয়। দুই হাজার স‌তের সা‌লের শেষা‌র্ধে এসব রো‌হিঙ্গারা যখন বসবাস শুরু ক‌রে তখন তারা সরকা‌রের বিপুল প‌রিমাণ ইউক্লিপ্টাস সহ নানা প্রজা‌তি গাছ গাছালী কে‌টে জ্বালানী হিসা‌বে ব‌্যবহার ক‌রে। এতে সরকা‌রের হাজার কোটি টাকার মত আর্থিক ক্ষ‌তি হ‌য়ে‌ছে। পাশাপা‌শি রাস্তাঘাট নির্মাণ ও পাহাড় কর্তন ক‌রে বি‌ভিন্ন এন‌জিও  কার্যালয় স্থাপ‌নে ভু‌মির নানারকম শ্রেনী প‌রিবর্তন হয়।

তি‌নি জানান, তার এ রে‌ঞ্জে আসার পর হ‌তে নিয়‌মিত টহল অ‌ভিযান প‌রিচালনা ক‌রে থা‌কেন। তার আগম‌নের পু‌র্বে প্রচুর বনভু‌মি‌ বেহাত হ‌য়ে‌ছে। স্থানীয় ও রো‌হিঙ্গারা দালাল ফ‌ড়িয়া‌দের ব‌্যবহার ক‌রে এসব জায়গা অ‌বৈধ দখল ক‌রে গৃহ নির্মাণ ক‌রে পাড়া মহল্লায় প‌রিনত করার জন‌্য উদ্বেগ জা‌নি‌য়ে‌ছেন।

এসব বিষ‌য়ে জান‌তে চাইলে, উখিয়া উপ‌জেলা সহকা‌রি ক‌মিশনার ভু‌মি মো: সা‌লেহ আহ‌মেদ জা‌নি‌য়ে‌ছেন, বিপুল প‌রিমাণ বনভু‌মি জবরদখল ও সেখা‌নে থাকা সরকা‌রি বনসম্পাদ উজাড় হওয়া খুবই উৎকন্ঠার বিষয়। রো‌হিঙ্গা ও স্থানীয় সহ পাশাপা‌শি বসবাসরত ৭লা‌খের অ‌ধিক জনসংখ‌্যার চা‌প সামলা‌নো ক‌ঠিন বিষয়। এরপ‌রেও অ‌ভিযান অব‌্যাহত র‌য়ে‌ছে। গত তিন মা‌সে প্রায় ডজনখা‌নে পাহা‌ড়ি মা‌টি বহনকা‌রি ডাম্পার আটক ক‌রে তা‌দের কা‌ছ থে‌কে জ‌রিমানা নি‌য়ে মুচ‌লেকায় ছে‌ড়ে দেয়া হয়।

এছাড়াও সম্প্রতি জানুয়ারিতে পশ্চিম রুমখাঁ ছাগল বাজার এলাকায় অবৈধভাবে কাঠ চিড়া‌য়ের কাঠ ছিড়াইয়ের করাতকল উচ্ছেদ করে উখিয়া থানায় মামলা করা হ‌য়ে‌ছে।