১০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে শিক্ষার্থীদের সাথে আওয়ামীলীগের ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া

জামালপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাথে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

৩ আগষ্ট (শনিবার) সকাল ১১টা থেকে শিক্ষার্থীরা শহরের পুরাতন বাইপাস মোড়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকে। দুপুর ১২ টায় শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে শহরের নতুন বাইপাস মোড় দিয়ে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে মির্জা আজম চত্তরে গিয়ে অবস্থান নেয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, এসময় পুলিশ-বিজিপি-র‍্যাব রাস্তা ব্যারিকেট দিয়ে দাঁড়ালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেট ভেঙ্গে লাঠি-সোঁটা নিয়ে শহরের পাঁচরাস্তা হয়ে সরকারী আশেক মাহমুদ কলেজে প্রবেশ করে ব্যানার-ফেস্টুন ভাংচুর করে।

আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে বকুলতলাস্থ জেলা আওয়ামী লীগ অফিসের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলে জামালপুর হাই স্কুলের সামনে অপর দিক থেকে আওয়ামী লীগ লাঠি-সোঁটা নিয়ে অতর্কিত হামলা করলে শিক্ষার্থীদের সাথে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

এসময় গুলি ও ককটেলের শব্দ শুনা যায়। রাস্তায় লাল টেপ প্যাচানো ককটেল, ইট-পাটকেল পড়ে থাকতে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হাতে লাঠি এবং আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়।

জানা যায়, পুলিশ-আন্দোলনকারী ও আওয়ামী লীগের ত্রিমূখি ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ায় ১০ জন পথচারী ও শিক্ষার্থী আহত হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোহেল মাহমুদ বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের বকুলতলার দিকে যেতে নিষেধ করি কিন্তু তারা পুলিশের ব্যারিকেট ভেঙ্গে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যায় এবং আপনারা দেখেছেন আমরা কোন রকম বাধা দেই না

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে শিক্ষার্থীদের সাথে আওয়ামীলীগের ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪

জামালপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাথে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

৩ আগষ্ট (শনিবার) সকাল ১১টা থেকে শিক্ষার্থীরা শহরের পুরাতন বাইপাস মোড়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকে। দুপুর ১২ টায় শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে শহরের নতুন বাইপাস মোড় দিয়ে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে মির্জা আজম চত্তরে গিয়ে অবস্থান নেয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, এসময় পুলিশ-বিজিপি-র‍্যাব রাস্তা ব্যারিকেট দিয়ে দাঁড়ালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেট ভেঙ্গে লাঠি-সোঁটা নিয়ে শহরের পাঁচরাস্তা হয়ে সরকারী আশেক মাহমুদ কলেজে প্রবেশ করে ব্যানার-ফেস্টুন ভাংচুর করে।

আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে বকুলতলাস্থ জেলা আওয়ামী লীগ অফিসের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলে জামালপুর হাই স্কুলের সামনে অপর দিক থেকে আওয়ামী লীগ লাঠি-সোঁটা নিয়ে অতর্কিত হামলা করলে শিক্ষার্থীদের সাথে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

এসময় গুলি ও ককটেলের শব্দ শুনা যায়। রাস্তায় লাল টেপ প্যাচানো ককটেল, ইট-পাটকেল পড়ে থাকতে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হাতে লাঠি এবং আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়।

জানা যায়, পুলিশ-আন্দোলনকারী ও আওয়ামী লীগের ত্রিমূখি ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ায় ১০ জন পথচারী ও শিক্ষার্থী আহত হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোহেল মাহমুদ বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের বকুলতলার দিকে যেতে নিষেধ করি কিন্তু তারা পুলিশের ব্যারিকেট ভেঙ্গে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যায় এবং আপনারা দেখেছেন আমরা কোন রকম বাধা দেই না