অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গ্রহণের পরপর দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পক্ষের শিক্ষার্থীরা মাঠে কাজে নামে।৩৬ দিন আন্দোলনের পর ততকালীন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং দেশে ছেড়ে ও চলে যান।
দীর্ঘ এ আন্দোলনের মাঠে শতশত শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনতার রক্তের পর বাংলাদেশ দ্বিতীয় বারের মতো স্বাধীন হয়েছে বলে দাবি করেন সাধারণ জনতা সহ শিক্ষার্থীরা।তাদের একটিই কথা অন্যায়,অবিচার,স্বৈরাচারশাসকের অবসান হটেছে ছাত্র বিপ্লবের মাধ্যমে।
এ ৩৬ দিনে ততকালীন সরকারের নির্দেশে পুলিশ সহ দলীয় নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপর চলেছে নির্মম নির্যাতন,গুম,খুন,গণহত্যার মত ঘটনা।ছিল না তখন চারদিন দেশে ইন্টারনেট সেবা। অগ্নিসংযোগ,ককটেল বিষ্ফরণ,টিয়ার সেল গ্যাস,কাঁদানে গ্যাস,রাবার বুলেট, সর্টগানের ব্যবহার সহ হয়েছে আগ্নেঅস্ত্রের ব্যবহার।ইন্টারনেট সেবা না থাকায় এ চার দিনের সঠিক তথ্য জানা যায়নি আদ্য।
দেশ কে সাজাতে সারাদেশের সর্বোস্তরে ট্রাফিক পুলিশের দ্বায়িত্বের মত গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে শুরু করে,থানা,হাসপাতাল,মাজার,মন্দি
তারই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের কমল হতে রাঙিয়ে তুলছে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া সহ আশেপাশে দেয়াল। মঙ্গলবার ১৩আগস্ট সারাদিন রঙ তুঁলির ছুঁয়ায় নানা রঙে,বর্ণের উক্তিতে গ্রাফিতি আর্ট এর মাধ্যমে সাজানো হচ্ছে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া।তাদের এই গ্রাফিতি আর্ট বা চিত্রকর্মে ফুঁটিয়ে তুলতে চেষ্টা করেছে দেশের নামা বৈষম্য আর অপরাধের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার প্রতিবাদী কন্ঠ।বিশ্ববিদ্যালে শিক্ষার্থীদের হাতের দেয়ালে ফুঁটিয়ে তোলা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেইট এর দেয়ালে ফুটে উঠে দেশের মানচিত্র,কিছু ইতিবাচক,নেতিবাচক উক্তি,এবং নানা রঙের দেয়ালিকা।সাজানো গুচ্ছানো ক্যাম্পাসটির দৃশ্য দৃষ্টি কারছে পথচারীদের।
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সমন্বয় হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান সহ আরো একাধিক শিক্ষার্থী বলেন,সকল ক্ষতার অধিকারী দেশের জনগণ।এ কথা ভবিষ্যতে সরকার হয়ে যে দল ই আসুক,আর এ চেয়ারে বসুক না কেনো এ চেয়ার-ই তাকে ভালো করে দিবে।কারন এ চেয়ারে যানে বাংলাদেশে ছাত্র জনতা এখনও প্রতিবাদ এ চেয়ারে আবু সাইদ সহ শতশত ছাত্র জনতার রক্ত মাখা।তাই সাবধান ভালো ভাবে দেশ পরিচালনা করলে তাদের সালাম, নয় আবাও কিছু একটা করতে মাঠে নামতে হতে পারে শিক্ষার্থীদের।























