০৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেছেন বিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীরা।  বুধবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে বাগজানা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ক্লাস বর্জন করে এই বিক্ষোভ আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় বাগজানা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইমদাদুল হকের নানা অনিয়ম তুলে ধরে তার পদত্যাগের দাবি করেন বিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষকের পক্ষেও স্লোগান দিতে থাকেন বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ঘটনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে এক বৈঠক বসে আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরেন।
এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চালাকালীন সময়ে বাগজানা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইমদাদুল হক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিচিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র তাপসির রেহান তপু ও  দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শুভ্রত দাস দীপসহ একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরন করেন। আমাদের অভিভাবকদের সঙ্গেও খারাপ আচারণ করেন। আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। আগে আমাদের স্কুলে শিক্ষার মান ভালো ছিল কিন্তু এই প্রধান শিক্ষক আসার পর থেকে স্কুলের শিক্ষার মান আর আগের মতো নেই। এছাড়া বেশকিছু অনিয়ম আছে তার। আমরা তার পদত্যাগ চাই।
অপরদিকে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে অবস্থান করা ছাত্রীরা বলেন, আমাদের প্রধান শিক্ষক স্যার স্কুলের আসার পর থেকে স্কুলের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আমরা স্যারের পক্ষে আছি।
বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হক বলেন, এঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে বিদ্যালয়ের হলরুমে বসে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যেসব বিষয়ে অভিযোগ করেছিল তার মধ্যে একটি করোনাকালীন সময়ে বোর্ড ফি বাবদ কিছু টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়ার কথা ছিল সেটি তখন না দিয়ে গতকাল দিয়েছে। এছাড়া অন্যান্য যে বিষয়গুলো বলেছে তার খুব একটা ভিত্তি নেই।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান

আপডেট সময় : ০৭:০২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেছেন বিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীরা।  বুধবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে বাগজানা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ক্লাস বর্জন করে এই বিক্ষোভ আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় বাগজানা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইমদাদুল হকের নানা অনিয়ম তুলে ধরে তার পদত্যাগের দাবি করেন বিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষকের পক্ষেও স্লোগান দিতে থাকেন বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ঘটনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে এক বৈঠক বসে আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরেন।
এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চালাকালীন সময়ে বাগজানা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইমদাদুল হক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিচিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র তাপসির রেহান তপু ও  দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শুভ্রত দাস দীপসহ একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরন করেন। আমাদের অভিভাবকদের সঙ্গেও খারাপ আচারণ করেন। আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। আগে আমাদের স্কুলে শিক্ষার মান ভালো ছিল কিন্তু এই প্রধান শিক্ষক আসার পর থেকে স্কুলের শিক্ষার মান আর আগের মতো নেই। এছাড়া বেশকিছু অনিয়ম আছে তার। আমরা তার পদত্যাগ চাই।
অপরদিকে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে অবস্থান করা ছাত্রীরা বলেন, আমাদের প্রধান শিক্ষক স্যার স্কুলের আসার পর থেকে স্কুলের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আমরা স্যারের পক্ষে আছি।
বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হক বলেন, এঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে বিদ্যালয়ের হলরুমে বসে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যেসব বিষয়ে অভিযোগ করেছিল তার মধ্যে একটি করোনাকালীন সময়ে বোর্ড ফি বাবদ কিছু টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়ার কথা ছিল সেটি তখন না দিয়ে গতকাল দিয়েছে। এছাড়া অন্যান্য যে বিষয়গুলো বলেছে তার খুব একটা ভিত্তি নেই।