১২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুর চিনিকল চালু ও বকেয়া পরিশোধের দাবিতে মানববন্ধন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জে অবস্থিত রংপুর চিনিকল চালু ও বকেয়া টাকা পরিশোধের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করা হয়েছে। আজ ৪ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার মহিমাগঞ্জে অবস্থিত রংপুর চিনিকল সামনে শ্রমিক-কর্মচারী, আখচাষি ও ছাত্র-জনতার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। চিনিকলের গেটে বিক্ষোভ করে সেখানে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গাইবান্ধা জেলার একমাত্র কৃষিভিত্তিক ভারীশিল্প কারখানা রংপুর চিনিকলসহ ছয়টি চিনিকলকে অবৈধভাবে বন্ধ করে একটি অশুভ সিন্ডিকেটের হাতে দেশের চিনির বাজার তুলে দেওয়া হয়েছিল। তারা এক লাফে চিনির দাম প্রায় চার গুণ বাড়িয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি চিনিকলে কাজ নাই, মজুরি নাই (কানামনা) চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন থেকে অবৈধভাবে দেড় কোটি টাকা কেটে রেখেছে। ফলে শ্রমিক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। অবিলম্বে চিনিকল চালু করা ও শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওনা টাকা পরিশোধের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে এ দাবি মেনে না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। মোফাজ্জল হোসেনের স ালনায় মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা আবু সুফিয়ান সুজা, মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল, ফারুক হোসেন ফটু, আখচাষি নেতা আতোয়ারুল ইসলাম নান্নু, শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুর চিনিকল চালু ও বকেয়া পরিশোধের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৫:৪২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জে অবস্থিত রংপুর চিনিকল চালু ও বকেয়া টাকা পরিশোধের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করা হয়েছে। আজ ৪ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার মহিমাগঞ্জে অবস্থিত রংপুর চিনিকল সামনে শ্রমিক-কর্মচারী, আখচাষি ও ছাত্র-জনতার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। চিনিকলের গেটে বিক্ষোভ করে সেখানে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গাইবান্ধা জেলার একমাত্র কৃষিভিত্তিক ভারীশিল্প কারখানা রংপুর চিনিকলসহ ছয়টি চিনিকলকে অবৈধভাবে বন্ধ করে একটি অশুভ সিন্ডিকেটের হাতে দেশের চিনির বাজার তুলে দেওয়া হয়েছিল। তারা এক লাফে চিনির দাম প্রায় চার গুণ বাড়িয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি চিনিকলে কাজ নাই, মজুরি নাই (কানামনা) চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন থেকে অবৈধভাবে দেড় কোটি টাকা কেটে রেখেছে। ফলে শ্রমিক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। অবিলম্বে চিনিকল চালু করা ও শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওনা টাকা পরিশোধের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে এ দাবি মেনে না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। মোফাজ্জল হোসেনের স ালনায় মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা আবু সুফিয়ান সুজা, মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল, ফারুক হোসেন ফটু, আখচাষি নেতা আতোয়ারুল ইসলাম নান্নু, শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।