বরেণ্য রাজনীতিবিদ শহীদ পরিবারের গর্বিত সন্তান ফেনী জেলা পরিষদের আমৃত্যু চেয়ারম্যান আজিজ আহমেদ চৌধুরীর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ হোসেন উদ্দিন বিপনি বিতান দোকান মালিক সমিতির উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বাদ আসর মার্কেটস্থ মসজিদে অনুষ্ঠিত দোয়া ও মিলাদে অংশ নেন শহীদ হোসেন উদ্দিন বিপনি বিতান দোকান মালিক সমিতির সভাপতি তাজুল ইসলাম ভূঞা, প্রচার সম্পাদক দীন মোহাম্মদ, ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া, দৈনিক অজেয় বাংলা নির্বাহী সম্পাদক শাহজালাল ভূঞাসহ মার্কেটের ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন। দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন মার্কেট মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মাহমুদুল হাসান।
উল্লেখ, আজিজ আহম্মদ চৌধুরী ২০২০ সালে ৭ সেপ্টেম্বর ফেনী ডায়াবেটিস হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তিনি ১৯৩৯ সালের ২ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা সুলতান আহম্মদ চৌধুরী ও মা আজিজের নেছা চৌধুরানী। পৈত্রিক বাড়ি ফুলগাজী উপজেলার আনন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আনন্দপুর গ্রামের হাসানপুর চৌধুরী বাড়ী। ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ পাস করার পর শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন। কিছুদিন পর রাজনীতি আর সমাজসেবায় সক্রিয় হন। নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠিত শাহ আলম চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের আমৃত্যু সভাপতি ছিলেন তিনি। এছাড়া ফেনী ডায়াবেটিক সমিতি, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রোগী কল্যাণ সমিতি, প্রবীণ হিতৈষী সংঘসহ একাধিক সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার বাবা সুলতান আহম্মদ চৌধুরীর নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করেছেন ‘সুলতান এন্ড সন্স’। দলীয় সূত্র জানায়, ১৯৭৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত আনন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন আজিজ আহম্মদ চৌধুরী। দায়িত্ব পালনকালে ১৯৯৪ সালে শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৬৪ সালে আনন্দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৭৩ সালে ছাগলনাইয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এবং ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন সভাপতি আবুল কাশেম মারা যাওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নিযুক্ত হন।























