১১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক মেয়র মনজুরের নাতনির সঙ্গে বিয়ে

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বরের বাবা
গ্রেফতার
চট্টগ্রাম নগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে আটক হয়েছেন আওয়ামী
লীগ নেতা ফখরুল আনোয়ার। তিনি ফটিকছড়ির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত রফিকুল আনোয়ারের
ছোট ভাই।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘নগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল
আনোয়ারকে আটক করা হয়েছে। তাকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা যাচাই-বাছাই করা
হচ্ছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথেই নজরদারিতে রেখেছিলাম।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরাও সেখানে গিয়েছিলেন।’
জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের ছেলের ঘরের
নাতনির সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা ফখরুল আনোয়ারের ছেলের বিয়ে হয়েছে। শনিবার রাতে সেই বিয়ের
অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল টাইগারপাস এলাকার নেভি কনভেনশন হলে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি
হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্তমান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনও।
সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম নাতনির বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও ঘটনার ফাঁকে তিনি কনভেনশন
সেন্টার দ্রুত ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে হঠাৎ করেই শতাধিক যুবক কমিউনিটি
সেন্টারের বাইরে জড়ো হয়। তারা এ সময় ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’ স্লোগান দিতে থাকে।
তারা ফখরুল আনোয়ারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে ফখরুল
আনোয়ারকে আটক করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর ছড়িয়েছে, বিয়ের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের
চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এবং সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য
খাদিজাতুল আনোয়ার সনিও ছিলেন। খাদিজাতুল সনি সম্পর্কে ফখরুল আনোয়ারের ভাতিজি।
বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, বিয়ের অনুষ্ঠানে ওই দুজনের কেউ ছিলেন
না। তবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি বেগতিক
দেখে অধিকাংশ সটকে পড়েন।
পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, ‘সাবেক সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি
আছেন এমনটা শোনা গিয়েছিল। কিন্তু তিনি সেখানে ছিলেন না।’

জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর আয়োজনে তিতুমীর কলেজে সরস্বতী পূজা উদযাপন

সাবেক মেয়র মনজুরের নাতনির সঙ্গে বিয়ে

আপডেট সময় : ০৪:১৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বরের বাবা
গ্রেফতার
চট্টগ্রাম নগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে আটক হয়েছেন আওয়ামী
লীগ নেতা ফখরুল আনোয়ার। তিনি ফটিকছড়ির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত রফিকুল আনোয়ারের
ছোট ভাই।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘নগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল
আনোয়ারকে আটক করা হয়েছে। তাকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা যাচাই-বাছাই করা
হচ্ছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথেই নজরদারিতে রেখেছিলাম।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরাও সেখানে গিয়েছিলেন।’
জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের ছেলের ঘরের
নাতনির সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা ফখরুল আনোয়ারের ছেলের বিয়ে হয়েছে। শনিবার রাতে সেই বিয়ের
অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল টাইগারপাস এলাকার নেভি কনভেনশন হলে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি
হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্তমান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনও।
সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম নাতনির বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও ঘটনার ফাঁকে তিনি কনভেনশন
সেন্টার দ্রুত ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে হঠাৎ করেই শতাধিক যুবক কমিউনিটি
সেন্টারের বাইরে জড়ো হয়। তারা এ সময় ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’ স্লোগান দিতে থাকে।
তারা ফখরুল আনোয়ারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে ফখরুল
আনোয়ারকে আটক করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর ছড়িয়েছে, বিয়ের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের
চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এবং সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য
খাদিজাতুল আনোয়ার সনিও ছিলেন। খাদিজাতুল সনি সম্পর্কে ফখরুল আনোয়ারের ভাতিজি।
বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, বিয়ের অনুষ্ঠানে ওই দুজনের কেউ ছিলেন
না। তবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি বেগতিক
দেখে অধিকাংশ সটকে পড়েন।
পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, ‘সাবেক সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি
আছেন এমনটা শোনা গিয়েছিল। কিন্তু তিনি সেখানে ছিলেন না।’