১২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বদলগাছীতে পরিছন্নতা কর্মী নিয়োগের জন্য জাল ইস্তেফার মাধ্যমে দপ্তরীকে অব্যাহতির অভিযোগ

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদ্রাসায় পরিছন্নতা কর্মী নিয়োগের জন্য জাল ইস্তেফার মাধ্যমে দপ্তরী মোঃ আব্দুল হামিদ খোকাকে অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ার হোসেন ও সহকারী শিক্ষক মোঃ উজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে মর্মে অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে। দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকার ০২/০২/২০২২ ইং তারিখে চাকুরী থেকে অবসরে যাওয়ার কথা এবং এসময় পর্যন্ত নিয়মিত তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সে পালন করেন। অথচ আগষ্ট/২০২১ তারিখে অধ্যক্ষের নির্দেশে সহকারী শিক্ষক মোঃ উজাউল ইসলাম দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকার জাল ইস্তেফা তৈরী করে তাকে অব্যাহতি দেখান ও দপ্তরী পদ শুন্য দেখায়ে তড়িঘরি করে সাবেক কমিটি মোটা অর্থের বিনিময়ে মোঃ আব্দুল মোমিন নামী এক ব্যক্তিকে পরিছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগ দেন। অপর দিকে দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকাকে ৪ মাসের বেতন ও কল্যান তহবিলের প্রাপ্য অংশ দেননি। নতুন কমিটি কর্তৃক আয় ব্যয় পযার্লোচনা কালে জাল ইস্তেফার মাধ্যমে দপ্তরী আঃ হামিদ খোকাকে অব্যাহতি প্রদানের ঘটনাটি বেরিয়ে আসে। এরপর ঘটনাটির তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচার প্রাপ্তির জন্য আঃ হামিদ খোকা নতুন কমিটির সভাপতির নিকট লিখিত অভিযোগ করেন বলে দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকা বলেন। সহকারী শিক্ষক উজাউল ইসলাম এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকা ইস্তেফার ড্রাপটিং তাকে দিলে সে তা লিখে দেন এবং তাতে দপ্তরী নিজে সই করেছেন। যার প্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন এবং আব্দুল মোমিনকে পরিছন্নতা কর্মী হিসাবে আগের কমিটি নিয়োগ দিয়েছে। সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল বারেক মন্টুর সঙ্গে মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন ধরেননি। বিভিন্ন দূর্নীতির অভিযোগ তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় সাচপেনশনে থাকা অধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ার হেসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। বর্তমান সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বললে পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগের জন্য দপ্তরী আঃ হামিদ খোকার জাল ইস্তেফা তৈরী করে তাকে অব্যাহতি দিয়ে দপ্তরী পদ শুন্য করে পূর্বের কমিটি তরিঘরি করে আব্দুল মোমিন নামী এক ব্যক্তিকে মোটা অর্থের বিনিময়ে পরিছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগ দিয়েছেন বলে জানান। এছাড়াও তিনি বলেন দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকার অভিযোগ পাওয়ার পর একটি তদন্ত কমিটি তৈরী করেছেন এবং ঈদের পর তদন্ত করে আইনানুগ সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন বলেও জানান ।

জনপ্রিয় সংবাদ

যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেলে থাকা ২ বন্ধুর

বদলগাছীতে পরিছন্নতা কর্মী নিয়োগের জন্য জাল ইস্তেফার মাধ্যমে দপ্তরীকে অব্যাহতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:০৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদ্রাসায় পরিছন্নতা কর্মী নিয়োগের জন্য জাল ইস্তেফার মাধ্যমে দপ্তরী মোঃ আব্দুল হামিদ খোকাকে অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ার হোসেন ও সহকারী শিক্ষক মোঃ উজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে মর্মে অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে। দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকার ০২/০২/২০২২ ইং তারিখে চাকুরী থেকে অবসরে যাওয়ার কথা এবং এসময় পর্যন্ত নিয়মিত তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সে পালন করেন। অথচ আগষ্ট/২০২১ তারিখে অধ্যক্ষের নির্দেশে সহকারী শিক্ষক মোঃ উজাউল ইসলাম দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকার জাল ইস্তেফা তৈরী করে তাকে অব্যাহতি দেখান ও দপ্তরী পদ শুন্য দেখায়ে তড়িঘরি করে সাবেক কমিটি মোটা অর্থের বিনিময়ে মোঃ আব্দুল মোমিন নামী এক ব্যক্তিকে পরিছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগ দেন। অপর দিকে দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকাকে ৪ মাসের বেতন ও কল্যান তহবিলের প্রাপ্য অংশ দেননি। নতুন কমিটি কর্তৃক আয় ব্যয় পযার্লোচনা কালে জাল ইস্তেফার মাধ্যমে দপ্তরী আঃ হামিদ খোকাকে অব্যাহতি প্রদানের ঘটনাটি বেরিয়ে আসে। এরপর ঘটনাটির তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচার প্রাপ্তির জন্য আঃ হামিদ খোকা নতুন কমিটির সভাপতির নিকট লিখিত অভিযোগ করেন বলে দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকা বলেন। সহকারী শিক্ষক উজাউল ইসলাম এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকা ইস্তেফার ড্রাপটিং তাকে দিলে সে তা লিখে দেন এবং তাতে দপ্তরী নিজে সই করেছেন। যার প্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন এবং আব্দুল মোমিনকে পরিছন্নতা কর্মী হিসাবে আগের কমিটি নিয়োগ দিয়েছে। সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল বারেক মন্টুর সঙ্গে মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন ধরেননি। বিভিন্ন দূর্নীতির অভিযোগ তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় সাচপেনশনে থাকা অধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ার হেসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। বর্তমান সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বললে পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগের জন্য দপ্তরী আঃ হামিদ খোকার জাল ইস্তেফা তৈরী করে তাকে অব্যাহতি দিয়ে দপ্তরী পদ শুন্য করে পূর্বের কমিটি তরিঘরি করে আব্দুল মোমিন নামী এক ব্যক্তিকে মোটা অর্থের বিনিময়ে পরিছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগ দিয়েছেন বলে জানান। এছাড়াও তিনি বলেন দপ্তরী আব্দুল হামিদ খোকার অভিযোগ পাওয়ার পর একটি তদন্ত কমিটি তৈরী করেছেন এবং ঈদের পর তদন্ত করে আইনানুগ সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন বলেও জানান ।