১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভালুকায় মা ও দুই সন্তানের গলা কাটা লাশ উদ্ধার

ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিস সংলগ্ন পনাশাইল রোডের একটি বাসা থেকে সোমবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মা ও দুই শিশু সন্তানের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। নিহতরা হলেন- ময়না খাতুন (৩০), রাইসা (৭) ও নিরব (২)। নিহতরা নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ছেনের বাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ও দুই সন্তান।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, ভালুকার কুল্লাব গ্রামের মেয়ে ময়না আক্তার। গত ২০১৭ সালে কেন্দুয়ার রফিকুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয় ময়না খাতুনের। তাদের সংসারে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে জন্ম নেয়। গার্মেন্টে চাকুরির সুবাদে ভালুকাতেই পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন রফিকুল। গত দেড় মাস আগে টিঅ্যান্ডটি মহল্লার আ. হাইয়ূমের বাসা ভাড়া নেন রফিকুল ইসলাম। একই বাসায় বসবাস করতেন রফিকুলের ভাই নজরুল ইসলাম। ১৩ জুলাই দিবাগত রাতে রাসেল স্পিনিং মিলে ডিউটিতে চলে যান রফিকুল। পরদিন সোমবার সকালে রফিকুল বাসার গেট বন্ধ পেয়ে স্ত্রী-সন্তানকে ডাকাডাকি করতে থাকেন। তবে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে গেট ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি। ভেতরে প্রবেশ করে তার রুমের বাইরে থেকে তালা দেওয়া দেখতে পান তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে বিছানায় গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান। পরে রফিকুল ইসলাম ভালুকা মডেল থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেন।
ভালুকা মডেল থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, রফিকুলের ভাই নজরুল ইলামের রুম তল্লাশি করে হত্যাকান্ডের ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে নজরুল তার ভাবী-ভাতিজা ও ভাতিজীকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ সরকারি হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ভালুকায় মা ও দুই সন্তানের গলা কাটা লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিস সংলগ্ন পনাশাইল রোডের একটি বাসা থেকে সোমবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মা ও দুই শিশু সন্তানের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। নিহতরা হলেন- ময়না খাতুন (৩০), রাইসা (৭) ও নিরব (২)। নিহতরা নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ছেনের বাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ও দুই সন্তান।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, ভালুকার কুল্লাব গ্রামের মেয়ে ময়না আক্তার। গত ২০১৭ সালে কেন্দুয়ার রফিকুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয় ময়না খাতুনের। তাদের সংসারে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে জন্ম নেয়। গার্মেন্টে চাকুরির সুবাদে ভালুকাতেই পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন রফিকুল। গত দেড় মাস আগে টিঅ্যান্ডটি মহল্লার আ. হাইয়ূমের বাসা ভাড়া নেন রফিকুল ইসলাম। একই বাসায় বসবাস করতেন রফিকুলের ভাই নজরুল ইসলাম। ১৩ জুলাই দিবাগত রাতে রাসেল স্পিনিং মিলে ডিউটিতে চলে যান রফিকুল। পরদিন সোমবার সকালে রফিকুল বাসার গেট বন্ধ পেয়ে স্ত্রী-সন্তানকে ডাকাডাকি করতে থাকেন। তবে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে গেট ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি। ভেতরে প্রবেশ করে তার রুমের বাইরে থেকে তালা দেওয়া দেখতে পান তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে বিছানায় গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান। পরে রফিকুল ইসলাম ভালুকা মডেল থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেন।
ভালুকা মডেল থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, রফিকুলের ভাই নজরুল ইলামের রুম তল্লাশি করে হত্যাকান্ডের ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে নজরুল তার ভাবী-ভাতিজা ও ভাতিজীকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ সরকারি হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এমআর/সবা