পরশুরামে মুহুরী,সিলোনিয়া ও কহুয়া নদীর টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবিতে উপজেলার ৫৬ টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগে মানববন্ধন করেছে। সেই সাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা।
নতুন টেকসই বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি বাঁধ সংরক্ষণ এবং খাল খননের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে জুলাই (মঙ্গলবার) উপজেলা গেইটের সামনে আয়োজিত ও সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি ইমাম হোসেন সজীবের সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধনে পরশুরাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ছোট বড় ৫৬ টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
এসময় ৫৬টি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের ২০টির অধিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও রাজনৈতিক দলের নেতারা বন্যার বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও ক্ষয়ক্ষতির বর্ণনা দিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের প্রতি ক্ষোভ করে ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর অপসারণ ও অতীতে বাঁধ নির্মাণ কাজের দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত ঠিকাদারদের শাস্তি দাবী রেখে পরবর্তী বিভিন্ন দাবিদাওয়ার কথা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পশ্চিম অলকায় মূহুরী নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনে ঘর হারা মাসুম চৌধুরী, পরশুরাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি এমএ হাসান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক শামসুল আলম শাকিল, মো মোস্তফা, কাজী ইউছুফ বাপ্পি, হাকিম আলী জয়, চৌধুরী রাকিব, এনামুল করিম আজাদ, মাওলানা মোহাম্মদ আবু তাহের ভূঁঞা, মো নাঈম,মো ইউনুছ, শাহিদুল আফসার,আবদুল কাদের,আবু হানিফ হেলাল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ২৪ সালের আগষ্টের ভয়াবহ বন্যায় ফেনীতে ১৯জন মানুষ মারা যায়। মংস,কৃষি,ব্যবসা সহ বিভিন্ন খাতে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয় ফেনীর মানুষ। ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হারিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে যায়। রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্টে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কবলে পড়ে ফেনী। সেই ক্ষত না শুকাতেই আবারও বন্যায় নাকাল পরশুরাম সহ ফেনী জেলা। ২৫-এ বন্যায় মানুষ মারা না গেলেও এর ভয়াবহতা যেন আরও দূর্বিসহ অনেকে হারিয়েছে মাথা গুছার টাই, হারিয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
এমআর/সবা
শিরোনাম
ফেনীতে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ দাবি
-
ফেনী প্রতিনিধি - আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
- ।
- 382
জনপ্রিয় সংবাদ
























