১২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সীমান্তে মাদকের রুট বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে: আব্দুল হাফিজ

কক্সবাজার সীমান্ত দিয়ে মাদকের চোরাচালান বন্ধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদার) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রামের পতেঙ্গা বোট ক্লাবে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নির্মিত দুটি টাগবোট আমিরাতে রপ্তানি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আব্দুল হাফিজ বলেন, “মাদকের উৎস বন্ধ করা কঠিন হলেও এর সাপ্লাই রুট—বিশেষ করে কক্সবাজার সীমান্ত — বন্ধ করতে হবে। সরকার এই লক্ষ্যেই জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং সব সংস্থার প্রধানরা একযোগে কাজ করছে।”

তিনি আরও বলেন, দেশের সীমিত সম্পদের মাঝেও সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে মাদক চোরাচালান রোধে। পাশাপাশি, মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে সাংবাদিকসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়েও কড়া বার্তা
রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান আব্দুল হাফিজ। তিনি বলেন, “প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজার-উখিয়া সীমান্তে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীও ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ দমনে কাজ করছে।”

তিনি জানান, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির চারটি ব্যাটালিয়ন মোতায়েন রয়েছে এবং সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়তা করছে। নতুন করে রোহিঙ্গা প্রবেশ ঠেকাতে সরকারের এজেন্সিগুলো বিশেষ নজরদারিতে কাজ করছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার সীমান্তে মাদকের রুট বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে: আব্দুল হাফিজ

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

কক্সবাজার সীমান্ত দিয়ে মাদকের চোরাচালান বন্ধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদার) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রামের পতেঙ্গা বোট ক্লাবে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নির্মিত দুটি টাগবোট আমিরাতে রপ্তানি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আব্দুল হাফিজ বলেন, “মাদকের উৎস বন্ধ করা কঠিন হলেও এর সাপ্লাই রুট—বিশেষ করে কক্সবাজার সীমান্ত — বন্ধ করতে হবে। সরকার এই লক্ষ্যেই জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং সব সংস্থার প্রধানরা একযোগে কাজ করছে।”

তিনি আরও বলেন, দেশের সীমিত সম্পদের মাঝেও সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে মাদক চোরাচালান রোধে। পাশাপাশি, মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে সাংবাদিকসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়েও কড়া বার্তা
রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান আব্দুল হাফিজ। তিনি বলেন, “প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজার-উখিয়া সীমান্তে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীও ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ দমনে কাজ করছে।”

তিনি জানান, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির চারটি ব্যাটালিয়ন মোতায়েন রয়েছে এবং সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়তা করছে। নতুন করে রোহিঙ্গা প্রবেশ ঠেকাতে সরকারের এজেন্সিগুলো বিশেষ নজরদারিতে কাজ করছে।

এমআর/সবা