০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের রাইসা মনি

উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী রাইসা মনির দাফন আজ ২৫(জুলাই)শুক্রবার সকাল ৯টায় তার পিতার বাড়ী  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া গ্রামে ঈদগাহ মাঠে অসংখ্য মানুষের উপস্হিতিতে রাইসার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনীর টিমসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে বাজড়া শামসুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা ময়দানে গোরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাইসা মনির পিতা মোঃ শাহাবুল শেখ ব্যবসার সুবাদে ঢাকার মিরপুরে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন । ৩ সন্তানদের মধ্যে রাইসা মেঝো। সে রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

দূর্ঘটনার পর নিখোঁজ ছিল রাইসা মনি, ১দিন পর ঢাকা সিএমএইসএ তার মৃতদেহ শনাক্ত করে পিতা শাহাবুল ইসলাম। কিন্তু তার শরীরে ৮০% পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত  করার পরেও শতভাগ নিশ্চিত হতে ডিএনএ টেস্ট করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পুলিশের  ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবে মোট ১১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী রাইসা মনি।

রাইসা মনির মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তার অকাল মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ পরিবার ও স্বজনরাও। এমন ঘটনার পর থেকে ঐ এলাকায় কারও মুখে হাসি নেই এমনকি এলাকায় সব ধরনের আনন্দ উল্লাস থেকে বিরত রয়েছে সবাই।
জানাজা শেষে রাইসা মনি সহ ঐ দুর্ঘটনায় সকল মৃতদের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। সবশেষে স্হানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও সচেতন মহল এই ঘটনার প্রকৃত কারন,মৃতের সঠিক হিসেব ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ব্যাবস্হাগ্রহন সহ চিকিৎসাধীন সকল শিশুদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চতের দাবি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের রাইসা মনি

আপডেট সময় : ০৩:২০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী রাইসা মনির দাফন আজ ২৫(জুলাই)শুক্রবার সকাল ৯টায় তার পিতার বাড়ী  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া গ্রামে ঈদগাহ মাঠে অসংখ্য মানুষের উপস্হিতিতে রাইসার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনীর টিমসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে বাজড়া শামসুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা ময়দানে গোরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাইসা মনির পিতা মোঃ শাহাবুল শেখ ব্যবসার সুবাদে ঢাকার মিরপুরে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন । ৩ সন্তানদের মধ্যে রাইসা মেঝো। সে রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

দূর্ঘটনার পর নিখোঁজ ছিল রাইসা মনি, ১দিন পর ঢাকা সিএমএইসএ তার মৃতদেহ শনাক্ত করে পিতা শাহাবুল ইসলাম। কিন্তু তার শরীরে ৮০% পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত  করার পরেও শতভাগ নিশ্চিত হতে ডিএনএ টেস্ট করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পুলিশের  ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবে মোট ১১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী রাইসা মনি।

রাইসা মনির মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তার অকাল মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ পরিবার ও স্বজনরাও। এমন ঘটনার পর থেকে ঐ এলাকায় কারও মুখে হাসি নেই এমনকি এলাকায় সব ধরনের আনন্দ উল্লাস থেকে বিরত রয়েছে সবাই।
জানাজা শেষে রাইসা মনি সহ ঐ দুর্ঘটনায় সকল মৃতদের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। সবশেষে স্হানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও সচেতন মহল এই ঘটনার প্রকৃত কারন,মৃতের সঠিক হিসেব ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ব্যাবস্হাগ্রহন সহ চিকিৎসাধীন সকল শিশুদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চতের দাবি জানান।