০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নান্দাইলে চলন্ত অটো থেকে ফেলে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাথি মেরে স্ত্রীকে ফেলে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহত নারীর নাম জেবিন আক্তার (৩০)। এ ঘটনায় পুলিশ তাঁর স্বামী মো. দুলাল মিয়াকে আটক করেছে।
শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের বনগ্রাম চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জেবিন আক্তার উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের ইলাশপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের মেয়ে এবং সংগ্রামখালী গ্রামের মো. দুলাল মিয়ার স্ত্রী। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে ১৩ বছরের সম্পর্কের ফসল দুটি সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, কিছুদিন আগে বিদেশফেরত দুলাল মিয়ার সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর সন্দেহ ও পারিবারিক কলহ শুরু হয়। জেবিন আক্তার সন্দেহ করতেন,দুলাল মিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।এ নিয়ে পারিবারিকভাবে একাধিকবার সালিস হলেও বিরোধের সমাধান হয়নি।
শনিবার দুপুরে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে দুলাল মিয়া ফের বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকায় রওনা দেন। খবর পেয়ে জেবিন তাঁর দুই সন্তানসহ গফরগাঁও থেকে স্বামীকে বুঝিয়ে বাড়ি ফেরান। পরে অটোরিকশায় করে বাড়ি ফেরার পথে বনগ্রাম চৌরাস্তা এলাকায় চলন্ত অটো থেকে জেবিনকে লাথি মেরে ফেলে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা দুলালকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত দুলাল মিয়া বলেন, “আমার স্ত্রী সন্দেহ করত আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি। আমি বিদেশ যাচ্ছিলাম, ওরা আমাকে গফরগাঁও থেকে বাড়ি ফিরিয়ে আনে। এরপর চলন্ত গাড়ি থেকে ও নিজেই পড়ে গেছে,আমি লাথি মারিনি।”
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, “লাথি মেরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী দুলালকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। নিহতের পরিবার মামলা করলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জনপ্রিয় সংবাদ

নান্দাইলে চলন্ত অটো থেকে ফেলে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

আপডেট সময় : ০১:৫৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাথি মেরে স্ত্রীকে ফেলে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহত নারীর নাম জেবিন আক্তার (৩০)। এ ঘটনায় পুলিশ তাঁর স্বামী মো. দুলাল মিয়াকে আটক করেছে।
শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের বনগ্রাম চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জেবিন আক্তার উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের ইলাশপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের মেয়ে এবং সংগ্রামখালী গ্রামের মো. দুলাল মিয়ার স্ত্রী। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে ১৩ বছরের সম্পর্কের ফসল দুটি সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, কিছুদিন আগে বিদেশফেরত দুলাল মিয়ার সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর সন্দেহ ও পারিবারিক কলহ শুরু হয়। জেবিন আক্তার সন্দেহ করতেন,দুলাল মিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।এ নিয়ে পারিবারিকভাবে একাধিকবার সালিস হলেও বিরোধের সমাধান হয়নি।
শনিবার দুপুরে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে দুলাল মিয়া ফের বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকায় রওনা দেন। খবর পেয়ে জেবিন তাঁর দুই সন্তানসহ গফরগাঁও থেকে স্বামীকে বুঝিয়ে বাড়ি ফেরান। পরে অটোরিকশায় করে বাড়ি ফেরার পথে বনগ্রাম চৌরাস্তা এলাকায় চলন্ত অটো থেকে জেবিনকে লাথি মেরে ফেলে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা দুলালকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত দুলাল মিয়া বলেন, “আমার স্ত্রী সন্দেহ করত আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি। আমি বিদেশ যাচ্ছিলাম, ওরা আমাকে গফরগাঁও থেকে বাড়ি ফিরিয়ে আনে। এরপর চলন্ত গাড়ি থেকে ও নিজেই পড়ে গেছে,আমি লাথি মারিনি।”
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, “লাথি মেরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী দুলালকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। নিহতের পরিবার মামলা করলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”