১২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে ভেঙে পড়া সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ৯ কোটি টাকা

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের স্টারশিপ গলির মুখে শীতল ঝরনা খালের ওপর ভেঙে পড়া সেতুর স্থানে নতুন সেতু নির্মাণে ৮ থেকে ৯ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে চলতি সপ্তাহেই দরপত্র আহ্বান করা হবে।

৭ আগস্ট সকালে ভারী বর্ষণের সময় সেতুটির একটি অংশ ধসে পড়ে। বর্তমানে সেতুর অপর পাশ দিয়ে সীমিত যান চলাচল করছে, তবে সেটিও ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন প্রকৌশলীরা।

চসিক সূত্রে জানা গেছে, নতুন সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১৫ মিটার এবং প্রশস্ততা ২৩ মিটার, যেখানে পূর্বের সেতুটি ছিল মাত্র ৬ মিটার দীর্ঘ। ইতোমধ্যে সেতুর নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং প্রকল্প ব্যয়ের অনুমোদনও পাওয়া গেছে।

সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক জসীম উদ্দিন জানান, প্রথমে ধসে পড়া অংশে কাজ শুরু হবে, এরপর অপর অংশের নির্মাণকাজ হবে। পুরো নির্মাণ কাজ শেষ হতে এক থেকে দেড় বছর সময় লাগবে।

উল্লেখ্য, বায়েজিদ সড়কটি চট্টগ্রাম নগরের সঙ্গে উত্তরাঞ্চল ও পার্বত্য এলাকার সংযোগস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। এই সড়কের আশপাশে রয়েছে অসংখ্য কারখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা। ফলে নতুন সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে ভেঙে পড়া সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ৯ কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৮:৩২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের স্টারশিপ গলির মুখে শীতল ঝরনা খালের ওপর ভেঙে পড়া সেতুর স্থানে নতুন সেতু নির্মাণে ৮ থেকে ৯ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে চলতি সপ্তাহেই দরপত্র আহ্বান করা হবে।

৭ আগস্ট সকালে ভারী বর্ষণের সময় সেতুটির একটি অংশ ধসে পড়ে। বর্তমানে সেতুর অপর পাশ দিয়ে সীমিত যান চলাচল করছে, তবে সেটিও ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন প্রকৌশলীরা।

চসিক সূত্রে জানা গেছে, নতুন সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১৫ মিটার এবং প্রশস্ততা ২৩ মিটার, যেখানে পূর্বের সেতুটি ছিল মাত্র ৬ মিটার দীর্ঘ। ইতোমধ্যে সেতুর নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং প্রকল্প ব্যয়ের অনুমোদনও পাওয়া গেছে।

সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক জসীম উদ্দিন জানান, প্রথমে ধসে পড়া অংশে কাজ শুরু হবে, এরপর অপর অংশের নির্মাণকাজ হবে। পুরো নির্মাণ কাজ শেষ হতে এক থেকে দেড় বছর সময় লাগবে।

উল্লেখ্য, বায়েজিদ সড়কটি চট্টগ্রাম নগরের সঙ্গে উত্তরাঞ্চল ও পার্বত্য এলাকার সংযোগস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। এই সড়কের আশপাশে রয়েছে অসংখ্য কারখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা। ফলে নতুন সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।