১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিন্ডিকেটের থাবা ইলিশে

দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে

সিন্ডিকেট চক্রের থাবায় ইলিশ চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরের মেঘনায় জেলেদের জালে ধরা পড়তে শুরু করছে রুপালি ইলিশ। দীর্ঘদিন পর কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের চোখে মুখে হাসি। তবে ইলিশের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বাজারে ইলিশ আসতে শুরু করায় জেলেদের মধ্যে স্বস্তির ভাব লক্ষ্য করা গেলেও সিন্ডিকেট চক্রের থাবায় ইলিশ চলে যাচ্ছে দেশের বাহিরে। এতে কষ্টার্জিত ইলিশ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে জেলেরা।
রামগতি উপজেলার টাংকিবাজার মাছঘাটে প্রতিদিন গড়ে ৮-১০ টন, আলেকজান্ডার ঘাটে ৬ থেকে সাড়ে ৬ টন, রামগতি বাজার ঘাটে ৬ থেকে ৭ টন, কমলনগরের মতিরহাটে ৩ থেকে ৪ টন, লুধুয়া ঘাটে ২ থেকে ৩ টন ও মাতাব্বরহাট ঘাটে আড়াই টনের মতো ইলিশ ধরা পড়েছে। মাছঘাটের জেলেদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। দীর্ঘ আড়াই মাস পর এখন নদীতে ইলিশ আসতে শুরু হচ্ছে। মোটামুটি জেলেদের জালেও ধরা পড়ছে। তবে দাম এখনো আকাশচুম্বী।
উপজেলার বিভিন্ন ইলিশের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা পড়ার পরও বাজারে দাম কমছে না। এ বছর ভরা মৌসুমেও ইলিশের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাহিরে। এক্ষেত্রে প্রতিটি মাছঘাটে রয়েছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র। তারা নানা অজুহাত দেখিয়ে ইলিশের দাম বাড়াতে থাকে। ইলিশ সংকট ও বাড়তি দাম দেখানো সিন্ডিকেট চক্রের কারসাজি বলে জানান স্থানীয়রা। নদী থেকে মাছ আসার আগেই দাম নির্ধারণ করে রাখে সিন্ডিকেট চক্র। যাতে সাধারণ মানুষ মাছ ক্রয় করতে না পারেন। পরে চড়া মূল্যে ইলিশ বিক্রি করেন দূরের মোকামগুলোতে। যার কারণে ইলিশের দাম কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। এই চক্রের সাথে জড়িত আড়তদার, দাদন ব্যবসায়ী ও মাছঘাট কমিটি। সিন্ডিকেটের কাছে অনেকটা অসহায় জেলেরা। সারা দিন নদীতে থেকে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ঘাটে আনার পর সিন্ডিকেট চক্রটি কম দামে সব ইলিশ ক্রয় করে আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে ইলিশের দাম হাঁকেন চড়া মূল্যে। যাতে সাধারণ মানুষ ইলিশ নিতে না পারেন। পরে মজুদ করে ওই ইলিশ দূরের মোকামগুলোতে চড়া দামে বিক্রি করেন। এতে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেন মাছঘাটের সিন্ডিকেট চক্রটি। স্থানীয় মৎস্য অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় জেলে, আড়তদার ও পাইকারি বিক্রেতারা ইলিশ নিয়ে বাণিজ্যে মেতে উঠেছে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের দুর্বল নজরদারিকে দায়ী করছেন সাধারণ ক্রেতারা। জানা যায়, প্রতিবছর জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়টাকে ইলিশের মৌসুম ধরা হয়। এ সময়ে মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে বিভিন্ন আকারের ইলিশ ধরা পড়ার কথা থাকলেও গত আড়াই মাস ধরে সেই কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা পড়েনি। চলতি সপ্তাহে কিছুটা ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। এতে অনেকটা খুশি জেলেরা। মাছঘাটগুলো জেলে ও পাইকারদের হাঁকডাকে এখন সরগরম হলেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। এতে অনেকেই ইলিশ না কিনে খালি হাতে ফিরছেন। কেউবা অন্য প্রজাতির মাছ নিচ্ছেন। তবে মাছ বিক্রেতারা বলছেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে এতদিন জেলেরা সমুদ্রে যেতে না পারায় ইলিশের সরবরাহ কম ছিল। তাই দামও আকাশছোঁয়া ছিল। এখন ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে, দামও কমবে। জেলে, আড়তদার ও মাছ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে এক কেজি সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকায়, ৬০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকায়, ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রামের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, ইলিশ ধরা পড়লেও দাম এখনো বেশি। যতক্ষণ পর্যন্ত মাছঘাটগুলোর সিন্ডিকেট না ভাঙবে, ততক্ষণে ইলিশের দাম বাড়তে থাকবে। এইভাবে হলে তো সাধারণ মানুষ ইলিশ খেতে পারবে না। তবে সিন্ডিকেট চক্রের নাম বলতে অপারগতা প্রকাশ করে স্থানীয় তিনজন ক্রেতা বলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও জানে-এই সিন্ডিকেট কারা পরিচালনা করছে। তারা খুঁজে বের করুক। রামগতি বাজারের মাছ ব্যবসায়ী নিজাম মাঝি বলেন, ‘মাছ এখন ধরা পড়তে শুরু করছে। বেশ ভালো লাগছে। আশা করি দামও কমতে শুরু করবে। তবে মাছঘাটগুলোতে থাকা সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের নজর দেওয়া উচিত ‘ আলেকজান্ডার ঘাটে মাছ কিনতে আসা আবু বকর মিয়া বলেন, ‘বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণ ইলিশ আছে। তবে দাম বেশি। তাই চলে যাচ্ছি। পুকুরের মাছ নেব।’
কমলনগরের নাজিরগঞ্জ মাছঘাটের জেলে হোসেন আহমদ বলেন, ‘আমরা জেলেরা সম্পূর্ণ নদীর ওপর নির্ভরশীল। নদীতে এখন মাছ পাওয়া যাচ্ছে। মাছ না থাকলে আমাদের বেচাবিক্রির অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। আগের তুলনায় ইলিশ কিছুটা পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি আগামী সপ্তাহে পর্যাপ্ত পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়বে। তখন দাম কমতে শুরু করবে। কমলনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা বলেন, ‘ইলিশের দাম স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। আমরা মাছঘাটগুলো পরিদর্শন করব। এই ধরনের সিন্ডিকেট যদি থাকে, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ রামগতি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৌরভ-উজ-জামান বলেন, ‘খবর নিয়ে যতটুকু শুনলাম, মাছ এখন প্রচুর ধরা পড়ছে। ঘাটে কয়েকটি চক্রের বিরুদ্ধে ইলিশ নিয়ে কারসাজির খবরও পাচ্ছি। প্রয়োজনে মাছঘাটগুলোতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।’

সিন্ডিকেটের থাবা ইলিশে

আপডেট সময় : ০৭:২০:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে

সিন্ডিকেট চক্রের থাবায় ইলিশ চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরের মেঘনায় জেলেদের জালে ধরা পড়তে শুরু করছে রুপালি ইলিশ। দীর্ঘদিন পর কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের চোখে মুখে হাসি। তবে ইলিশের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বাজারে ইলিশ আসতে শুরু করায় জেলেদের মধ্যে স্বস্তির ভাব লক্ষ্য করা গেলেও সিন্ডিকেট চক্রের থাবায় ইলিশ চলে যাচ্ছে দেশের বাহিরে। এতে কষ্টার্জিত ইলিশ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে জেলেরা।
রামগতি উপজেলার টাংকিবাজার মাছঘাটে প্রতিদিন গড়ে ৮-১০ টন, আলেকজান্ডার ঘাটে ৬ থেকে সাড়ে ৬ টন, রামগতি বাজার ঘাটে ৬ থেকে ৭ টন, কমলনগরের মতিরহাটে ৩ থেকে ৪ টন, লুধুয়া ঘাটে ২ থেকে ৩ টন ও মাতাব্বরহাট ঘাটে আড়াই টনের মতো ইলিশ ধরা পড়েছে। মাছঘাটের জেলেদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। দীর্ঘ আড়াই মাস পর এখন নদীতে ইলিশ আসতে শুরু হচ্ছে। মোটামুটি জেলেদের জালেও ধরা পড়ছে। তবে দাম এখনো আকাশচুম্বী।
উপজেলার বিভিন্ন ইলিশের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা পড়ার পরও বাজারে দাম কমছে না। এ বছর ভরা মৌসুমেও ইলিশের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাহিরে। এক্ষেত্রে প্রতিটি মাছঘাটে রয়েছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র। তারা নানা অজুহাত দেখিয়ে ইলিশের দাম বাড়াতে থাকে। ইলিশ সংকট ও বাড়তি দাম দেখানো সিন্ডিকেট চক্রের কারসাজি বলে জানান স্থানীয়রা। নদী থেকে মাছ আসার আগেই দাম নির্ধারণ করে রাখে সিন্ডিকেট চক্র। যাতে সাধারণ মানুষ মাছ ক্রয় করতে না পারেন। পরে চড়া মূল্যে ইলিশ বিক্রি করেন দূরের মোকামগুলোতে। যার কারণে ইলিশের দাম কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। এই চক্রের সাথে জড়িত আড়তদার, দাদন ব্যবসায়ী ও মাছঘাট কমিটি। সিন্ডিকেটের কাছে অনেকটা অসহায় জেলেরা। সারা দিন নদীতে থেকে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ঘাটে আনার পর সিন্ডিকেট চক্রটি কম দামে সব ইলিশ ক্রয় করে আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে ইলিশের দাম হাঁকেন চড়া মূল্যে। যাতে সাধারণ মানুষ ইলিশ নিতে না পারেন। পরে মজুদ করে ওই ইলিশ দূরের মোকামগুলোতে চড়া দামে বিক্রি করেন। এতে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেন মাছঘাটের সিন্ডিকেট চক্রটি। স্থানীয় মৎস্য অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় জেলে, আড়তদার ও পাইকারি বিক্রেতারা ইলিশ নিয়ে বাণিজ্যে মেতে উঠেছে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের দুর্বল নজরদারিকে দায়ী করছেন সাধারণ ক্রেতারা। জানা যায়, প্রতিবছর জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়টাকে ইলিশের মৌসুম ধরা হয়। এ সময়ে মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে বিভিন্ন আকারের ইলিশ ধরা পড়ার কথা থাকলেও গত আড়াই মাস ধরে সেই কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা পড়েনি। চলতি সপ্তাহে কিছুটা ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। এতে অনেকটা খুশি জেলেরা। মাছঘাটগুলো জেলে ও পাইকারদের হাঁকডাকে এখন সরগরম হলেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। এতে অনেকেই ইলিশ না কিনে খালি হাতে ফিরছেন। কেউবা অন্য প্রজাতির মাছ নিচ্ছেন। তবে মাছ বিক্রেতারা বলছেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে এতদিন জেলেরা সমুদ্রে যেতে না পারায় ইলিশের সরবরাহ কম ছিল। তাই দামও আকাশছোঁয়া ছিল। এখন ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে, দামও কমবে। জেলে, আড়তদার ও মাছ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে এক কেজি সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকায়, ৬০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকায়, ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রামের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, ইলিশ ধরা পড়লেও দাম এখনো বেশি। যতক্ষণ পর্যন্ত মাছঘাটগুলোর সিন্ডিকেট না ভাঙবে, ততক্ষণে ইলিশের দাম বাড়তে থাকবে। এইভাবে হলে তো সাধারণ মানুষ ইলিশ খেতে পারবে না। তবে সিন্ডিকেট চক্রের নাম বলতে অপারগতা প্রকাশ করে স্থানীয় তিনজন ক্রেতা বলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও জানে-এই সিন্ডিকেট কারা পরিচালনা করছে। তারা খুঁজে বের করুক। রামগতি বাজারের মাছ ব্যবসায়ী নিজাম মাঝি বলেন, ‘মাছ এখন ধরা পড়তে শুরু করছে। বেশ ভালো লাগছে। আশা করি দামও কমতে শুরু করবে। তবে মাছঘাটগুলোতে থাকা সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের নজর দেওয়া উচিত ‘ আলেকজান্ডার ঘাটে মাছ কিনতে আসা আবু বকর মিয়া বলেন, ‘বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণ ইলিশ আছে। তবে দাম বেশি। তাই চলে যাচ্ছি। পুকুরের মাছ নেব।’
কমলনগরের নাজিরগঞ্জ মাছঘাটের জেলে হোসেন আহমদ বলেন, ‘আমরা জেলেরা সম্পূর্ণ নদীর ওপর নির্ভরশীল। নদীতে এখন মাছ পাওয়া যাচ্ছে। মাছ না থাকলে আমাদের বেচাবিক্রির অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। আগের তুলনায় ইলিশ কিছুটা পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি আগামী সপ্তাহে পর্যাপ্ত পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়বে। তখন দাম কমতে শুরু করবে। কমলনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা বলেন, ‘ইলিশের দাম স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। আমরা মাছঘাটগুলো পরিদর্শন করব। এই ধরনের সিন্ডিকেট যদি থাকে, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ রামগতি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৌরভ-উজ-জামান বলেন, ‘খবর নিয়ে যতটুকু শুনলাম, মাছ এখন প্রচুর ধরা পড়ছে। ঘাটে কয়েকটি চক্রের বিরুদ্ধে ইলিশ নিয়ে কারসাজির খবরও পাচ্ছি। প্রয়োজনে মাছঘাটগুলোতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।’