০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নওগাঁয় জাল সনদে চাকরির অভিযোগ! তদন্ত শুরু

নওগাঁর নিয়ামতপুরের বীরজয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান ও সরকারি শিক্ষক মো. বাবুল আকতারের বিরুদ্ধে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক ব্যাক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সনদের তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম শেখ। আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের সনদ চেয়ে ৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) চিঠি পাঠিয়েছে শিক্ষা কর্মকর্তা।
জানা যায়, বীরজোয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলীর সহযোগিতায় জীব বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান মন্ডল ২০০৬ খ্রিস্টাব্দের পাশ করা ৪১২৬১৩২৭ রোল নাম্বারের ২য় শিক্ষক নিবন্ধন সনদে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের শিক্ষক মো. বাবুল আকতার একই খ্রিস্টাব্দের ১১২২০০৫৪ রোল নাম্বারের ভূয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ চাকুরী করছেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত তারা সরকারি কোষাগার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা বেতন-ভাতা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক কামরুজ্জামান বলেন, আমি এই বিষয়ে এখন কিছুই বলতে পারবো না। আপনার সনদ সম্পর্কে তাহলে কে বলতে পারবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটাও আমি জানিনা।
জানতে চেয়ে শিক্ষক বাবুল আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জোনাব আলী বলেন, আমি এখন পর্যন্ত চিঠি হাতে পাইনি। চিঠি পেলে নির্দেশ মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়ামতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শাহ আলম শেখ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ওই দুই শিক্ষকের শিক্ষক নিবন্ধন সনদপত্র আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের সনদপত্র জাল হলে তাদের বিরুদ্ধে বিধিমতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কমিশনার সংকটে বেরোবির প্রথম ব্রাকসু নির্বাচনে অনিশ্চয়তা

নওগাঁয় জাল সনদে চাকরির অভিযোগ! তদন্ত শুরু

আপডেট সময় : ১২:৩২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নওগাঁর নিয়ামতপুরের বীরজয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান ও সরকারি শিক্ষক মো. বাবুল আকতারের বিরুদ্ধে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক ব্যাক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সনদের তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম শেখ। আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের সনদ চেয়ে ৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) চিঠি পাঠিয়েছে শিক্ষা কর্মকর্তা।
জানা যায়, বীরজোয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলীর সহযোগিতায় জীব বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান মন্ডল ২০০৬ খ্রিস্টাব্দের পাশ করা ৪১২৬১৩২৭ রোল নাম্বারের ২য় শিক্ষক নিবন্ধন সনদে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের শিক্ষক মো. বাবুল আকতার একই খ্রিস্টাব্দের ১১২২০০৫৪ রোল নাম্বারের ভূয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ চাকুরী করছেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত তারা সরকারি কোষাগার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা বেতন-ভাতা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক কামরুজ্জামান বলেন, আমি এই বিষয়ে এখন কিছুই বলতে পারবো না। আপনার সনদ সম্পর্কে তাহলে কে বলতে পারবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটাও আমি জানিনা।
জানতে চেয়ে শিক্ষক বাবুল আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জোনাব আলী বলেন, আমি এখন পর্যন্ত চিঠি হাতে পাইনি। চিঠি পেলে নির্দেশ মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়ামতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শাহ আলম শেখ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ওই দুই শিক্ষকের শিক্ষক নিবন্ধন সনদপত্র আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের সনদপত্র জাল হলে তাদের বিরুদ্ধে বিধিমতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।