নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে তিনটি চুনা ও একটি ঢালাই কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার পিরোজপুর এলাকায় এসব অবৈধ চুনা ও ঢালাই কারখানায় অভিযান চালিয়ে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয় এবং গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স
হকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সায়মা রাইয়ান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এসময় সেখানে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ড্রিস্টিবিউশনের মেঘনা ঘাট অঞ্চলের ম্যানেজার সুরজিত সাহা, সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ড্রিস্টিবিউশনের মেঘনা ঘাট অঞ্চলের ম্যানেজার সুরজিত সাহা জানান, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ঝাউচর এলাকায় আবুুল কাশেম মাস্টারের অবৈধভাবে গড়ে তোলা ঢালাই কারখানা ও হারুন অর রশিদের ঢালাই কারখানাসহ সোনারগাঁ অর্থনীতি অঞ্চলের পাশের নোয়াব প্রধান ও এতিমখানার পাশে মতিউর রহমানের চুনা কারখানায় অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এ চক্রটি প্রতিদিন ২৪ হাজার ঘনফুট অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করছেন। ফলে সরকার প্রতিমাসে মোটা অংকের রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। এর আগেও এসব কারখানায় তিতাস কর্তৃপক্ষ অভিযান পরিচালনা করে। কিন্তু অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরদিনই পূনরায় এই অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ে ব্যবসা করে থাকেন। তাই এবারও খবর পেয়ে এসব কারখানায় অভিযান চালিয়ে ভাট্টিগুলো গুড়িয়ে দেয়া হয়।
তিনি আরও জানান, এসব অবৈধ গ্যাস সংযোগের কারনে সরকার প্রতিনিয়ত রাজস্ব হারাচ্ছে। গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযানকালে অবৈধ ব্যবসায়ীরা পলাতক থাকার কারনে তাদের জেল জরিমানা করা সম্ভব হচ্ছে না। অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযানকালে সাড়ে ৬শ ফুট পাইপ জব্দ করা হয়। এ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানায়, অবৈধভাবে গড়ে উঠা কারখানাগুলোতে একের পর এক অভিযান পরিচালনা করে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। কিন্তু তিতাস গ্যাস কোম্পানির কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সহযোগিতায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে পূনরায় অবৈধভাবে সংযোগ দেয়া হয়। অভিযানের খবর আগেই প্রচার করে দেয় সেই অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। গুড়িয়ে দেয়া প্রতিষ্ঠানের সংযোগ এর আাগেও একাধিকবার বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল।
শু/সবা






















