০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাঁশখালীর ১১ জন পুড়িয়ে মারার বিচার মেলেনি ২২ বছরেও

বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর গ্রামের শীলপাড়ায় তেজেন্দ্র লাল শীলের ঘরের বাইরে
থেকে তালা লাগিয়ে ‘গান পাউডার ছিটিয়ে’ আগুনে পুড়িয়ে নারী-শিশুসহ ১১
জনকে হত্যা করা হয়। ওই সময় ঘর থেকে বের হয়ে পালিয়ে বেঁচে যান বিমল
শীল।তাদের ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যার পর ২২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার
পাননি পরিবারের স্বজনরা।তখনকার বিএনপি-জামায়াত জোট থাকাখালীন দেশ
বিদেশে এ ঘটনাটি তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলো।এরপর কেটে গেছে দুই দশকের ও
বেশি ।কিন্তু বিচারের আশায় এখনও আদালতে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে মামলার বাদী
বিমল শীলকে, বিমল‌ শীল ছিলেন তাদের পরিবারের একজন।যিনি সে সময় প্রাণে
বেঁচে গিয়েছিলেন।তখন, আগুনে দগ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলো বিমলের বাবা
তেজেন্দ্র লাল শীল , মা বকুল শীল , ভাই অনিল শীল ,অনিলের স্ত্রী স্মৃতি শীল , অনিলের
তিন সন্তান রুমি শীল , সোনিয়া শীল , ও চার দিন বয়সী কার্তিক শীল, তেজেন্দ্র
শীলের ভাইয়ের মেয়ে বাবুটি শীল , প্রসাদি শীল ,, অ্যানি শীল , এবং কক্সবাজার থেকে
বেড়াতে আসা আত্মীয় দেবেন্দ্র শীল।তথ্যসূত্রে জানা- যায়,, ঘটনার সপ্তাহ খানেক
আগে তার স্ত্রী তিন বছর ও এক বছর বয়েসী দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে নগরীতে তার
শ্বশুরের বাসায় গিয়েছিলনে। আর বিমল নিজে বাড়িতে ছিলেন। দুই তলা থেকে
লাফিয়ে পড়ে জীবন বাঁচালেও পা ভেঙে বেশকিছু দিন হাসপাতালে চিকিৎসা
নিতে হয়েছিল তার।সে ঘটনায় বেঁচে যাওয়া বিমল শীল মামলা করেন বাঁশখালী
থানায়। ওই ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতা আমিনুর রহমান জড়িত বলে সে সময়
অভিযোগ উঠলেও তৎকালীন সরকারের সময়ে তদন্তে পুলিশ তাকে অভিযুক্ত
করেনি।সবশেষ ২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি এ মামলার অষ্টম তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে
সিআইডির তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হ্লা চিং প্রু
অভিযোগপত্র জমা দেন। যেখানে তখনকার বি এন পি নেতা আমিনুর রহমানকেও
আসামি করা হয়, সাক্ষী করা হয় ৫৭ জনকে। ওই বছরের ১২ সেপ্টেম্বর আসামিদের
বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।খোঁজ নিয়ে জানা
যায়,বর্তমানে মামলার ৩৭ আসামির মধ্যে এখনো ১৪ জন পলাতক , আর ২৩ জন
জামিনে আছেন।প্রধান আসামি স্থানীয় বিএনপি নেতা আমিনুর কারাগারে।
বর্তমানে বিচারকার্য এখনো অসম্পূর্ণ।

কমিশনার সংকটে বেরোবির প্রথম ব্রাকসু নির্বাচনে অনিশ্চয়তা

বাঁশখালীর ১১ জন পুড়িয়ে মারার বিচার মেলেনি ২২ বছরেও

আপডেট সময় : ১২:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর গ্রামের শীলপাড়ায় তেজেন্দ্র লাল শীলের ঘরের বাইরে
থেকে তালা লাগিয়ে ‘গান পাউডার ছিটিয়ে’ আগুনে পুড়িয়ে নারী-শিশুসহ ১১
জনকে হত্যা করা হয়। ওই সময় ঘর থেকে বের হয়ে পালিয়ে বেঁচে যান বিমল
শীল।তাদের ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যার পর ২২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার
পাননি পরিবারের স্বজনরা।তখনকার বিএনপি-জামায়াত জোট থাকাখালীন দেশ
বিদেশে এ ঘটনাটি তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলো।এরপর কেটে গেছে দুই দশকের ও
বেশি ।কিন্তু বিচারের আশায় এখনও আদালতে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে মামলার বাদী
বিমল শীলকে, বিমল‌ শীল ছিলেন তাদের পরিবারের একজন।যিনি সে সময় প্রাণে
বেঁচে গিয়েছিলেন।তখন, আগুনে দগ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলো বিমলের বাবা
তেজেন্দ্র লাল শীল , মা বকুল শীল , ভাই অনিল শীল ,অনিলের স্ত্রী স্মৃতি শীল , অনিলের
তিন সন্তান রুমি শীল , সোনিয়া শীল , ও চার দিন বয়সী কার্তিক শীল, তেজেন্দ্র
শীলের ভাইয়ের মেয়ে বাবুটি শীল , প্রসাদি শীল ,, অ্যানি শীল , এবং কক্সবাজার থেকে
বেড়াতে আসা আত্মীয় দেবেন্দ্র শীল।তথ্যসূত্রে জানা- যায়,, ঘটনার সপ্তাহ খানেক
আগে তার স্ত্রী তিন বছর ও এক বছর বয়েসী দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে নগরীতে তার
শ্বশুরের বাসায় গিয়েছিলনে। আর বিমল নিজে বাড়িতে ছিলেন। দুই তলা থেকে
লাফিয়ে পড়ে জীবন বাঁচালেও পা ভেঙে বেশকিছু দিন হাসপাতালে চিকিৎসা
নিতে হয়েছিল তার।সে ঘটনায় বেঁচে যাওয়া বিমল শীল মামলা করেন বাঁশখালী
থানায়। ওই ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতা আমিনুর রহমান জড়িত বলে সে সময়
অভিযোগ উঠলেও তৎকালীন সরকারের সময়ে তদন্তে পুলিশ তাকে অভিযুক্ত
করেনি।সবশেষ ২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি এ মামলার অষ্টম তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে
সিআইডির তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হ্লা চিং প্রু
অভিযোগপত্র জমা দেন। যেখানে তখনকার বি এন পি নেতা আমিনুর রহমানকেও
আসামি করা হয়, সাক্ষী করা হয় ৫৭ জনকে। ওই বছরের ১২ সেপ্টেম্বর আসামিদের
বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।খোঁজ নিয়ে জানা
যায়,বর্তমানে মামলার ৩৭ আসামির মধ্যে এখনো ১৪ জন পলাতক , আর ২৩ জন
জামিনে আছেন।প্রধান আসামি স্থানীয় বিএনপি নেতা আমিনুর কারাগারে।
বর্তমানে বিচারকার্য এখনো অসম্পূর্ণ।