কক্সবাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রশাসনের গঠিত উচ্ছেদ অভিযানিক টিমের সাথে নুনিয়ার ছড়া এলাকাবাসীর সাথে যোগ দিয়েছেন পেশকার পাড়া বাসি। উত্তেজনা বিরাজ করছে শহরজুড়ে।
কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকরা পড়েছেন বিপাকে চোখে মুখে আতংক।
অবরোধের কারণে সড়ক বন্ধ থাকায় কক্সবাজার বিমানবন্দরের দিকে যাত্রীরা ঢুকতে পারছেন না। একইভাবে সেখান থেকে বেরও হতে পারছেন না।
ঢাকার মুগ্ধতা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক কামাল উদ্দিন বলেন পরিবার নিয়ে ছুটির দিনে বেড়াতে আসলাম বিমানবন্দর রোডের মুখে এমন পরিস্থিতি দেখে আমার পরিবার ভায় পেয়ে গেলাম কোন দিকে যাবো ভেবে পাচ্ছি না। মানুষ সব আতঙ্কিত। কি না কি হয়।
কক্সবাজার শহরের ফুসফুস খ্যাত বাঁকখালী নদী উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার শহরের গুনগাছতলা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষোভকারীরা। প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক জানার চেষ্টা করছেন।
শুক্রবার (০৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শহরের নুনিয়ারছড়া এলাকায় নদীর অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে গেলে জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটি এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহৃত একটি এস্কেভেটর ভাঙচুর করা হয়। সেনাবাহিনীর সাঁজোয়াযান ও গিয়েও বাঁধার মুখে পড়ে পিছু হাটতে বাধ্য হয়।
এ সময় দখলদাররা স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু করে। আগুন দিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে দেয়। ভাঙচুর করা হয় উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহৃত এস্কেভেটরটি। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরও ঘিরে রাখে বিক্ষোভকারীরা।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ইলিয়াস খান বলেন, বিক্ষোভকারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা করছে।
গত ২৪ আগস্ট হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, বাঁকখালী নদীর সীমানা নির্ধারণ করে চার মাসের মধ্যে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে।
এর ধারাবাহিকতায় সোমবার থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, নদীর সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এরপর নদীর সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।




















