০৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাটহাজারীতে সংঘর্ষের ঘটনায় ওসি প্রত্যাহার

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 70

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু কাওসার মাহমুদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাক আহম্মেদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী তারেক আজিজ।

এর আগে একই দিন বিকেলে হাটহাজারী বড় মাদরাসার শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তারা ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই দাবিতে রাতে শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভ করেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে হাটহাজারী মাদরাসার সামনে আপত্তিকর ভঙ্গিতে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেন আরিয়ান ইব্রাহিম নামে এক যুবক। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যায় ফটিকছড়ি থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক আরিয়ান পরে ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চান।

কিন্তু এর জেরে বিকেল থেকে হাটহাজারী পৌর এলাকায় মাদরাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করলে অপর একটি পক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে শতাধিক মানুষ আহত হন। উত্তেজনা বেড়ে গেলে শনিবার রাতে উপজেলা প্রশাসন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রোববার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সমঝোতা বৈঠক হয়। সেখানে উভয় পক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আহতদের চিকিৎসা ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

সভাপতি শাহনাজ শিল্পী, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ

হাটহাজারীতে সংঘর্ষের ঘটনায় ওসি প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০৭:২০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু কাওসার মাহমুদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাক আহম্মেদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী তারেক আজিজ।

এর আগে একই দিন বিকেলে হাটহাজারী বড় মাদরাসার শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তারা ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই দাবিতে রাতে শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভ করেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে হাটহাজারী মাদরাসার সামনে আপত্তিকর ভঙ্গিতে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেন আরিয়ান ইব্রাহিম নামে এক যুবক। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যায় ফটিকছড়ি থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক আরিয়ান পরে ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চান।

কিন্তু এর জেরে বিকেল থেকে হাটহাজারী পৌর এলাকায় মাদরাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করলে অপর একটি পক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে শতাধিক মানুষ আহত হন। উত্তেজনা বেড়ে গেলে শনিবার রাতে উপজেলা প্রশাসন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রোববার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সমঝোতা বৈঠক হয়। সেখানে উভয় পক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আহতদের চিকিৎসা ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়।

এমআর/সবা