সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে এই উদ্যোগ কার্যকর করা হয়।আগে যাত্রীবাহী বোটগুলোতে লাইফ জ্যাকেট থাকলেও সেগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ না হওয়ায় ময়লা যুক্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যেত। অনেক সময় পায়ের নিচে পড়ে ছিঁড়ে যাওয়া কিংবা রোদে নষ্ট হওয়ার কারণে যাত্রীরা এগুলো ব্যবহার করতে অনীহা প্রকাশ করতেন।
এখন থেকে যাত্রীরা বোটে উঠার আগে নির্ধারিত বুথ থেকে লাইফ জ্যাকেট সংগ্রহ করে পরে উঠতে পারবেন এবং গন্তব্যে পৌঁছে নামার সময় সেটি আবার ঘাটের নির্ধারিত বুথে জমা দিয়ে যাবেন। এতে যাত্রীদের ভ্রমণ আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে আশা করছেন যাত্রী ও ঘাট কর্তৃপক্ষ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হেদায়েত উল্লাহ বলেন, “যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে মহেশখালী জেটিঘাট ও কক্সবাজার ৬ নম্বর ঘাটে লাইফ জ্যাকেট বুথ স্থাপন করা হয়েছে। সবাইকে অনুরোধ করবো এটি ব্যবহার শেষে নির্ধারিত স্থানে ফেরত রাখতে।”
মহেশখালী দ্বীপের স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে নৌপথে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমবে এবং যাত্রীদের আস্থাও বাড়বে।
যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সবাইকে সচেতন হওয়ার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
জনাব নেছার আহমদের সাথে কথা বললে তিনি জানান কক্সবাজারের ৬নং ঘাট ও মহেশখালী ঘাটে যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য আলাদাভাবে যে লাইফজ্যাকেট রাখা হয়েছে। যাত্রীরা এক ঘাট থেকে লাইফজ্যাকেট নিয়ে অপর ঘাটে পৌঁছে তা ঠিক মতো জমা দিলে। এতে যাত্রীরা নৌপথের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে লাইফজ্যাকেট ব্যবহারে যত্নবান হলে তা ব্যাবহারের উপযোগী থাকবে।
তাই সবার প্রতি অনুরোধ—নিজের পোশাকের মতোই লাইফজ্যাকেট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন।
যাত্রা শেষে অবশ্যই নির্দিষ্ট ঘাটে জমা দেবেন।
কোনোভাবেই লাইফজ্যাকেট বাইরে নিয়ে যাবেন না।
এমন প্রশংসনীয় ও দায়িত্বশীল উদ্যোগ নেওয়ার জন্য মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আন্তরিক সাধুবাদ জানান তিনি।


























