০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে পার্টনারশিপ দ্বন্দ্বে ইসলামী ব্যাংকের আউটলেটে তালা, বিপাকে গ্রাহকরা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পার্টনারশিপ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ইসলামী ব্যাংকের একটি এজেন্ট আউটলেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে লেনদেন বন্ধ রয়েছে এবং গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শোভাগঞ্জ বাজারের এই আউটলেটটি যৌথভাবে পরিচালনা করছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আতাউর রহমান এবং শান্তিরাম ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর সুজা মিয়া। আউটলেটের অংশীদারিত্ব ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর নিরাপত্তার জন্য তালা ঝুলিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। সুজা মিয়া অভিযোগ করেন, তিনি নিজে ব্যাংকটি আনা এবং পরিচালনা করছিলেন, কিন্তু তৎকালীন ও বর্তমান স্থানীয় জামায়াত নেতারা আউটলেটটি অন্যের নামে করে নিয়েছেন।

গ্রাহকরা হতাশা প্রকাশ করেছেন। ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রতিদিন এখানে টাকা লেনদেন করি। হঠাৎ তালা দেওয়ায় ব্যবসার টাকা জমা দিতে পারিনি। এতে ব্যবসায় সমস্যা হচ্ছে।” এছাড়া ধান বিক্রির টাকা তুলতে আসা কৃষকরা এবং মোবাইল ব্যাংকিং, বেতনসহ অন্যান্য লেনদেনের জন্য নির্ভরশীল সাধারণ মানুষও বিপাকে পড়েছেন।

ইসলামী ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয়রা দ্রুত আউটলেট পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ দ্বন্দ্বের শিকার না হন।

বর্তমান প্রোপাইটর আলতাফ হোসেনকে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরগঞ্জে পার্টনারশিপ দ্বন্দ্বে ইসলামী ব্যাংকের আউটলেটে তালা, বিপাকে গ্রাহকরা

আপডেট সময় : ০৭:২৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পার্টনারশিপ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ইসলামী ব্যাংকের একটি এজেন্ট আউটলেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে লেনদেন বন্ধ রয়েছে এবং গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শোভাগঞ্জ বাজারের এই আউটলেটটি যৌথভাবে পরিচালনা করছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আতাউর রহমান এবং শান্তিরাম ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর সুজা মিয়া। আউটলেটের অংশীদারিত্ব ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর নিরাপত্তার জন্য তালা ঝুলিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। সুজা মিয়া অভিযোগ করেন, তিনি নিজে ব্যাংকটি আনা এবং পরিচালনা করছিলেন, কিন্তু তৎকালীন ও বর্তমান স্থানীয় জামায়াত নেতারা আউটলেটটি অন্যের নামে করে নিয়েছেন।

গ্রাহকরা হতাশা প্রকাশ করেছেন। ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রতিদিন এখানে টাকা লেনদেন করি। হঠাৎ তালা দেওয়ায় ব্যবসার টাকা জমা দিতে পারিনি। এতে ব্যবসায় সমস্যা হচ্ছে।” এছাড়া ধান বিক্রির টাকা তুলতে আসা কৃষকরা এবং মোবাইল ব্যাংকিং, বেতনসহ অন্যান্য লেনদেনের জন্য নির্ভরশীল সাধারণ মানুষও বিপাকে পড়েছেন।

ইসলামী ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয়রা দ্রুত আউটলেট পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ দ্বন্দ্বের শিকার না হন।

বর্তমান প্রোপাইটর আলতাফ হোসেনকে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এমআর/সবা