০১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজারহাটে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে পশু জবাইখানা পরিদর্শন

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 55

রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজারহাট উপজেলায় অ্যানথ্রাক্স রোগের বিস্তার রোধে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে পশু জবাইখানা ও মাংস বিক্রয় পয়েন্ট পরিদর্শন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সালাহ উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ রহমত আলী এবং ভেটেরিনারি সার্জন মোছাঃ রনজিনা আক্তার। রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তারা রাজারহাট বাজার, ব্র্যাক মোড়সহ একাধিক মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের পরিবেশ ও মাংসের গুণগত মান যাচাই করেন। এ সময় বিক্রেতাদের মাংস সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

অভিযানে রাজারহাট থানা পুলিশের সার্বিক সহযোগিতা ছিল। উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কয়েকটি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—
অসুস্থ পশুর মাংস কেনা ও খাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান। অসুস্থ বা মৃত পশুর খবর দ্রুত প্রাণিসম্পদ দপ্তরে জানানোর অনুরোধ।
কাঁচা মাংস বা পশুর চামড়া খালি হাতে না ধরার পরামর্শ। পশুপালনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও নিয়মিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ নেওয়ার সুপারিশ।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতাই পারে অ্যানথ্রাক্সসহ যেকোনো রোগের বিস্তার রোধ করতে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজারহাটে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে পশু জবাইখানা পরিদর্শন

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজারহাট উপজেলায় অ্যানথ্রাক্স রোগের বিস্তার রোধে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে পশু জবাইখানা ও মাংস বিক্রয় পয়েন্ট পরিদর্শন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সালাহ উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ রহমত আলী এবং ভেটেরিনারি সার্জন মোছাঃ রনজিনা আক্তার। রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তারা রাজারহাট বাজার, ব্র্যাক মোড়সহ একাধিক মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের পরিবেশ ও মাংসের গুণগত মান যাচাই করেন। এ সময় বিক্রেতাদের মাংস সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

অভিযানে রাজারহাট থানা পুলিশের সার্বিক সহযোগিতা ছিল। উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কয়েকটি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—
অসুস্থ পশুর মাংস কেনা ও খাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান। অসুস্থ বা মৃত পশুর খবর দ্রুত প্রাণিসম্পদ দপ্তরে জানানোর অনুরোধ।
কাঁচা মাংস বা পশুর চামড়া খালি হাতে না ধরার পরামর্শ। পশুপালনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও নিয়মিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ নেওয়ার সুপারিশ।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতাই পারে অ্যানথ্রাক্সসহ যেকোনো রোগের বিস্তার রোধ করতে।

এমআর/সবা