০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়িতে মায়ের খাওয়ানো বিষে ৯ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু

ফটিকছড়ির পাইন্দং ইউনিয়নে মায়ের খাওয়ানো বিষে ৯ মাস বয়সী শিশু আব্দুল্লাহর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতেই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার আগে একইদিন দুপুরে পাইন্দং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে কবির আহমদের বাড়িতে এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। শিশুর মা আমেনা বেগম (৩৫) নিজেও বিষপান করেন এবং বর্তমানে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমেনা বেগম উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের মুহাম্মদ ফিরোজের স্ত্রী।

ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, দুপুর ৩টার দিকে আমেনা বেগম তার সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। মা-ছেলে দুজনই বিষপানজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ফটিকছড়ি থানার ওসি নুর আহমদ জানান, ধারণা করা হচ্ছে আমেনা বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তিনি নিজে বিষপান করার পাশাপাশি সন্তানকেও খাইয়ে দেন। এর ফলে শিশুর মৃত্যু হয়, তবে মা এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটিকছড়িতে মায়ের খাওয়ানো বিষে ৯ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফটিকছড়ির পাইন্দং ইউনিয়নে মায়ের খাওয়ানো বিষে ৯ মাস বয়সী শিশু আব্দুল্লাহর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতেই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার আগে একইদিন দুপুরে পাইন্দং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে কবির আহমদের বাড়িতে এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। শিশুর মা আমেনা বেগম (৩৫) নিজেও বিষপান করেন এবং বর্তমানে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমেনা বেগম উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের মুহাম্মদ ফিরোজের স্ত্রী।

ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, দুপুর ৩টার দিকে আমেনা বেগম তার সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। মা-ছেলে দুজনই বিষপানজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ফটিকছড়ি থানার ওসি নুর আহমদ জানান, ধারণা করা হচ্ছে আমেনা বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তিনি নিজে বিষপান করার পাশাপাশি সন্তানকেও খাইয়ে দেন। এর ফলে শিশুর মৃত্যু হয়, তবে মা এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এমআর/সবা