০২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় সাজেকের আটকে পড়া ৪ শতাধিক পর্যটক ফিরলো

oplus_0

খাগড়াছড়িতে চলমান অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ও ১৪৪ ধারা জারির মধ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় সেনাবাহিনী। সোমবার দুপুরে সাজেক থেকে ফেরার পথে অর্ধশতাধিক টুরিস্টবাহী গাড়িতে থাকা ৪ শতাধিক পর্যটককে বাঘাইহাট জোন থেকে গ্রহণ করে দীঘিনালা জোনের সেনা সদস্যরা নিরাপদে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে পৌঁছে দেন।

অবরোধের কারণে কয়েকদিন সাজেকে আটকে থাকা পর্যটকরা জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতা এবং সেনাবাহিনীর আন্তরিকতায় তারা নিরাপদে ফিরতে পেরেছেন। ঢাকা থেকে আসা পর্যটক মো. হারুন অর রশিদ বলেন, “অবরোধে আটকে পড়েছিলাম, কিন্তু সেনাবাহিনী আমাদের স্কট দিয়ে নিরাপদে ফিরিয়ে এনেছে। তাদের আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

ঢাকার হলিক্রিসেন্ট কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী বুসরা বলেন, “প্রথমে ভয় পেলেও স্থানীয়দের সহায়তা আর সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা আমাদের সাহস জুগিয়েছে। সেনাবাহিনীর অবদান আমি কখনো ভুলতে পারব না।”

অবরোধ চলাকালে খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় গত শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার ১৪৪ ধারা জারি করেন। স্কুলছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে জুম্মু ছাত্র–জনতার ডাকে অবরোধ চলাকালে সহিংস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

যদিও ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে, জুম্মু ছাত্র–জনতা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এর প্রভাব জেলার প্রতিটি উপজেলায় পড়ছে। তবে দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান, নিরাপত্তা টহল এবং অস্থায়ী চেকপোস্টের কারণে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় সাজেকের আটকে পড়া ৪ শতাধিক পর্যটক ফিরলো

আপডেট সময় : ০৪:১৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়িতে চলমান অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ও ১৪৪ ধারা জারির মধ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় সেনাবাহিনী। সোমবার দুপুরে সাজেক থেকে ফেরার পথে অর্ধশতাধিক টুরিস্টবাহী গাড়িতে থাকা ৪ শতাধিক পর্যটককে বাঘাইহাট জোন থেকে গ্রহণ করে দীঘিনালা জোনের সেনা সদস্যরা নিরাপদে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে পৌঁছে দেন।

অবরোধের কারণে কয়েকদিন সাজেকে আটকে থাকা পর্যটকরা জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতা এবং সেনাবাহিনীর আন্তরিকতায় তারা নিরাপদে ফিরতে পেরেছেন। ঢাকা থেকে আসা পর্যটক মো. হারুন অর রশিদ বলেন, “অবরোধে আটকে পড়েছিলাম, কিন্তু সেনাবাহিনী আমাদের স্কট দিয়ে নিরাপদে ফিরিয়ে এনেছে। তাদের আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

ঢাকার হলিক্রিসেন্ট কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী বুসরা বলেন, “প্রথমে ভয় পেলেও স্থানীয়দের সহায়তা আর সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা আমাদের সাহস জুগিয়েছে। সেনাবাহিনীর অবদান আমি কখনো ভুলতে পারব না।”

অবরোধ চলাকালে খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় গত শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার ১৪৪ ধারা জারি করেন। স্কুলছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে জুম্মু ছাত্র–জনতার ডাকে অবরোধ চলাকালে সহিংস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

যদিও ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে, জুম্মু ছাত্র–জনতা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এর প্রভাব জেলার প্রতিটি উপজেলায় পড়ছে। তবে দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান, নিরাপত্তা টহল এবং অস্থায়ী চেকপোস্টের কারণে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে।

এমআর/সবা