০২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরে ঘূর্ণিঝড়ে সাত শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আঘাত হেনেছে স্বল্পস্থায়ী এক ঘূর্ণিঝড়। রবিবার (৫ অক্টোবর) সকালে মাত্র কয়েক মিনিটের এই ঝড়ে আলমবিদিতর ও নোহালী ইউনিয়নের সাত শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। পাশাপাশি আগাম আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশুশিক্ষার্থীও রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের আকস্মিক তাণ্ডবে টিনশেড ও আধা পাকা ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে এবং অসংখ্য গাছপালা উপড়ে গেছে। আলমবিদিতর ইউনিয়নের কুতুব হাজীরহাটের নাজমুল আমিন বলেন, তার পাকা ঘর ভেঙে গেছে, ঘরের টিন উড়ে গেছে এবং তার তৃতীয় শ্রেণির ছেলে মাফিরের মাথা ফেটে ও পা ভেঙেছে; তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নোহালী ইউনিয়নের সরদারপাড়ার ফনি বেওয়া জানান, তার বাবার দুইটি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। নোহালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফ আলী বলেন, ইউনিয়নে প্রায় ৪০০ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আলমবিদিতর ইউনিয়নের প্রশাসক আফতাবুজ্জামান চয়ন জানান, ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে শুকনা খাবার বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা ও বাড়িঘর সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে ঘূর্ণিঝড়ে সাত শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

আপডেট সময় : ০৭:২০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আঘাত হেনেছে স্বল্পস্থায়ী এক ঘূর্ণিঝড়। রবিবার (৫ অক্টোবর) সকালে মাত্র কয়েক মিনিটের এই ঝড়ে আলমবিদিতর ও নোহালী ইউনিয়নের সাত শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। পাশাপাশি আগাম আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশুশিক্ষার্থীও রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের আকস্মিক তাণ্ডবে টিনশেড ও আধা পাকা ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে এবং অসংখ্য গাছপালা উপড়ে গেছে। আলমবিদিতর ইউনিয়নের কুতুব হাজীরহাটের নাজমুল আমিন বলেন, তার পাকা ঘর ভেঙে গেছে, ঘরের টিন উড়ে গেছে এবং তার তৃতীয় শ্রেণির ছেলে মাফিরের মাথা ফেটে ও পা ভেঙেছে; তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নোহালী ইউনিয়নের সরদারপাড়ার ফনি বেওয়া জানান, তার বাবার দুইটি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। নোহালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফ আলী বলেন, ইউনিয়নে প্রায় ৪০০ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আলমবিদিতর ইউনিয়নের প্রশাসক আফতাবুজ্জামান চয়ন জানান, ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে শুকনা খাবার বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা ও বাড়িঘর সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমআর/সবা