০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পানছড়িতে সেনা অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার, পলাতক ইউপিডিএফ কমান্ডার সুমেন চাকমা

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার যুবনেশ্বর পাড়া এলাকার গহীন জঙ্গলে সেনাবাহিনীর অভিযানে উন্মোচিত হয়েছে ইউপিডিএফের একটি গোপন আস্তানা।

সোমবার (৬ অক্টোবর) ভোরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানিক দল এলাকাটি ঘেরাও করে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ইউপিডিএফের শীর্ষস্থানীয় গ্রুপ কমান্ডার সুমেন চাকমা পালিয়ে যান। পরে তল্লাশিতে উদ্ধার করা হয় একটি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি, ১৫টি ব্যানার, দুটি ওয়াকিটকি চার্জার, দুটি মোবাইল ফোন, ধারালো অস্ত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।

সেনাসূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় ইউপিডিএফ সদস্যরা স্থানীয় নারী-পুরুষ ও ছাত্র-ছাত্রীদের জোরপূর্বক সেনা বিরোধী স্লোগান দিতে বাধ্য করেছিল, যাতে অভিযান ব্যাহত হয়। বিগত কয়েকদিনের ঘটনাপ্রবাহ পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট হয়েছে, ইউপিডিএফ ও তাদের অঙ্গসংগঠনসমূহ পার্বত্য অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করছে।

সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পালিয়ে যাওয়া ইউপিডিএফ সশস্ত্র সদস্যদের খুঁজে বের করতে সেনা অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পার্বত্য অঞ্চলের সকল জাতিগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

পানছড়িতে সেনা অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার, পলাতক ইউপিডিএফ কমান্ডার সুমেন চাকমা

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার যুবনেশ্বর পাড়া এলাকার গহীন জঙ্গলে সেনাবাহিনীর অভিযানে উন্মোচিত হয়েছে ইউপিডিএফের একটি গোপন আস্তানা।

সোমবার (৬ অক্টোবর) ভোরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানিক দল এলাকাটি ঘেরাও করে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ইউপিডিএফের শীর্ষস্থানীয় গ্রুপ কমান্ডার সুমেন চাকমা পালিয়ে যান। পরে তল্লাশিতে উদ্ধার করা হয় একটি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি, ১৫টি ব্যানার, দুটি ওয়াকিটকি চার্জার, দুটি মোবাইল ফোন, ধারালো অস্ত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।

সেনাসূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় ইউপিডিএফ সদস্যরা স্থানীয় নারী-পুরুষ ও ছাত্র-ছাত্রীদের জোরপূর্বক সেনা বিরোধী স্লোগান দিতে বাধ্য করেছিল, যাতে অভিযান ব্যাহত হয়। বিগত কয়েকদিনের ঘটনাপ্রবাহ পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট হয়েছে, ইউপিডিএফ ও তাদের অঙ্গসংগঠনসমূহ পার্বত্য অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করছে।

সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পালিয়ে যাওয়া ইউপিডিএফ সশস্ত্র সদস্যদের খুঁজে বের করতে সেনা অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পার্বত্য অঞ্চলের সকল জাতিগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

এমআর/সবা