০৪:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রায়গঞ্জে প্রশাসনের উদ্যোগে ২২ প্রতিষ্ঠানকে বিনামূল্যে ১১ লক্ষ ঘনফুট বালি প্রদান

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিনামূল্যে বালি পেয়েছে উপজেলার ২২টি সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোট ১১ লক্ষ ৩০ হাজার ঘনফুট বালি এসব প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিতরণ করা হয়।

রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির জানান, “করতোয়া-ফুলজোড়-হুরাসাগার নদী সিস্টেম ড্রেজিং/পুনঃখনন ও তীর সংরক্ষণ” প্রকল্পের আওতায় ড্রেজিংকৃত বালি ও মাটি বিনামূল্যে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী আবেদন করলে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে তা জেলা পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে উপজেলা প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে বালি বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে।

বিতরণ কার্যক্রমে পানি উন্নয়ন বোর্ড, সেনাবাহিনী, থানা পুলিশ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, সরকারি প্রকল্পের আওতায় উত্তোলিত বালি সমাজের কল্যাণে ব্যবহার একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এতে একদিকে পরিবেশ সংরক্ষণ হবে, অন্যদিকে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রমও এগিয়ে যাবে।

জয়ানপুর বাজার মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বলেন, “বালির অভাবে আমাদের উন্নয়ন কাজ বন্ধ ছিল। এখন বিনামূল্যে বালি পেয়ে আমরা খুব উপকৃত হয়েছি।”

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক মো. একরামুল হক বলেন, “এই উদ্যোগে এলাকার রাস্তা, স্কুল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সহজ হবে। আমরা চাই ভবিষ্যতেও এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকুক।”

রায়গঞ্জবাসীর মতে, সরকারি ড্রেজিং প্রকল্পের বালি বিক্রি না করে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত একটি সময়সাপেক্ষ ও জনকল্যাণমূলক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

এমআর/সবা

রায়গঞ্জে প্রশাসনের উদ্যোগে ২২ প্রতিষ্ঠানকে বিনামূল্যে ১১ লক্ষ ঘনফুট বালি প্রদান

আপডেট সময় : ০৪:২৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিনামূল্যে বালি পেয়েছে উপজেলার ২২টি সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোট ১১ লক্ষ ৩০ হাজার ঘনফুট বালি এসব প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিতরণ করা হয়।

রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির জানান, “করতোয়া-ফুলজোড়-হুরাসাগার নদী সিস্টেম ড্রেজিং/পুনঃখনন ও তীর সংরক্ষণ” প্রকল্পের আওতায় ড্রেজিংকৃত বালি ও মাটি বিনামূল্যে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী আবেদন করলে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে তা জেলা পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে উপজেলা প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে বালি বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে।

বিতরণ কার্যক্রমে পানি উন্নয়ন বোর্ড, সেনাবাহিনী, থানা পুলিশ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, সরকারি প্রকল্পের আওতায় উত্তোলিত বালি সমাজের কল্যাণে ব্যবহার একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এতে একদিকে পরিবেশ সংরক্ষণ হবে, অন্যদিকে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রমও এগিয়ে যাবে।

জয়ানপুর বাজার মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বলেন, “বালির অভাবে আমাদের উন্নয়ন কাজ বন্ধ ছিল। এখন বিনামূল্যে বালি পেয়ে আমরা খুব উপকৃত হয়েছি।”

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক মো. একরামুল হক বলেন, “এই উদ্যোগে এলাকার রাস্তা, স্কুল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সহজ হবে। আমরা চাই ভবিষ্যতেও এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকুক।”

রায়গঞ্জবাসীর মতে, সরকারি ড্রেজিং প্রকল্পের বালি বিক্রি না করে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত একটি সময়সাপেক্ষ ও জনকল্যাণমূলক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

এমআর/সবা