০৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বর্ণের বাজার নিয়ে উদ্বেগ

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • 90
  • অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দাম ক্রমাগত বাড়ছে।
  • এক বছরে বেড়েছে আকাশছোঁয়া- ৫০ শতাংশের বেশি
  • বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের মজুত বাড়িয়েছেন

দেশের বাজারে আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। যা দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম। গত মঙ্গলবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। গতকাল বুধবার থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ার পর বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আস্থা বাড়িয়েছে। একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার কমানোর প্রত্যাশাও স্বর্ণের প্রতি আকর্ষণ আরও বাড়িয়েছে। রুপার দামও স্বর্ণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে গেছে। গতকাল সোমবার সকাল ৮টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৭৪ দশমিক শূন্য ২ ডলারে দাঁড়ায়, যা আগে রেকর্ড ৪ হাজার ৭৮ দশমিক শূন্য ৫ ডলার ছিল। পাশাপাশি ফিউচার মার্কেটেও ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এই বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৯৩ দশমিক ৫০ ডলারে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক সংঘাত, মুদ্রার ওঠানামা- সব মিলিয়ে স্বর্ণ এখন আবারও বিনিয়োগকারীদের চোখে ‘নিরাপদ আশ্রয়’। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যতদিন বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির থাকবে, ততদিন স্বর্ণের ঝলক কমার সম্ভাবনা নেই। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে মূল্যবান ধাতুগুলোর দাম ক্রমাগত বাড়ছে। বিশেষ করে স্বর্ণের দাম গত এক বছরে বেড়েছে আকাশছোঁয়া- ৫০ শতাংশের বেশি। বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের তুলনায় কম দামে যেসব দোকানি গলার হার ও কানের দুল বিক্রি করতে চান, তাদের জন্য স্বর্ণের ভবিষ্যৎ বাজার উদ্বেগের কারণ হয়েছে। আর্থিক পরিষেবা সংস্থা গোল্ডম্যান স্যাকসের মতে, বাজারে স্বর্ণের দাম ওঠানামা স্বাভাবিক হলেও, গত এক বছরে মন্দার আশঙ্কা এবং বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের মজুদ বাড়িয়েছেন।
এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। এর আগে, সবশেষ গত ১৩ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। যা এতদিন ছিল দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ১৪ অক্টোবর থেকে। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৬৫ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৭ বার, আর কমেছে মাত্র ১৮ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার। স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ২০৫ টাকায়। যা দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯১৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০২ টাকায়। দ্য কমোডিটি ফিউচারস ট্রেড কমিশনও স্বর্ণে বিনিয়োগের সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়। কমিশন বলছে, মূল্যবান ধাতু অনেক বেশি অস্থির। অর্থনৈতিক উদ্বেগের ফলে এর চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও বেড়ে যায়। চলতি বছরের শুরু থেকে অনেকে এতে বিনিয়োগ করে লাভবান হয়েছেন। আবার ক্ষতির মুখে পড়ার উদাহরণও আছে। যেমন গত ২ এপ্রিল ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন বিশ্বজুড়ে পারস্পরিক শুল্কারোপের ঘোষণা দেন, তখনই স্বর্ণের দাম পড়ে যায়। তাই কমোডিটি ফিউচারস ট্রেড কমিশন বলছে, স্বর্ণে বিনিয়োগের আগে নিরাপদ ট্রেডিং প্র্যাকটিস সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখাটা জরুরি। এছাড়া বাজারে সম্ভাব্য প্রতারণা ও নকল থেকেও সতর্ক থাকতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’ আত্মপ্রকাশ করলো রাজধানীতে

স্বর্ণের বাজার নিয়ে উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৭:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দাম ক্রমাগত বাড়ছে।
  • এক বছরে বেড়েছে আকাশছোঁয়া- ৫০ শতাংশের বেশি
  • বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের মজুত বাড়িয়েছেন

দেশের বাজারে আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। যা দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম। গত মঙ্গলবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। গতকাল বুধবার থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ার পর বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আস্থা বাড়িয়েছে। একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার কমানোর প্রত্যাশাও স্বর্ণের প্রতি আকর্ষণ আরও বাড়িয়েছে। রুপার দামও স্বর্ণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে গেছে। গতকাল সোমবার সকাল ৮টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৭৪ দশমিক শূন্য ২ ডলারে দাঁড়ায়, যা আগে রেকর্ড ৪ হাজার ৭৮ দশমিক শূন্য ৫ ডলার ছিল। পাশাপাশি ফিউচার মার্কেটেও ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এই বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৯৩ দশমিক ৫০ ডলারে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক সংঘাত, মুদ্রার ওঠানামা- সব মিলিয়ে স্বর্ণ এখন আবারও বিনিয়োগকারীদের চোখে ‘নিরাপদ আশ্রয়’। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যতদিন বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির থাকবে, ততদিন স্বর্ণের ঝলক কমার সম্ভাবনা নেই। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে মূল্যবান ধাতুগুলোর দাম ক্রমাগত বাড়ছে। বিশেষ করে স্বর্ণের দাম গত এক বছরে বেড়েছে আকাশছোঁয়া- ৫০ শতাংশের বেশি। বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের তুলনায় কম দামে যেসব দোকানি গলার হার ও কানের দুল বিক্রি করতে চান, তাদের জন্য স্বর্ণের ভবিষ্যৎ বাজার উদ্বেগের কারণ হয়েছে। আর্থিক পরিষেবা সংস্থা গোল্ডম্যান স্যাকসের মতে, বাজারে স্বর্ণের দাম ওঠানামা স্বাভাবিক হলেও, গত এক বছরে মন্দার আশঙ্কা এবং বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের মজুদ বাড়িয়েছেন।
এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। এর আগে, সবশেষ গত ১৩ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। যা এতদিন ছিল দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ১৪ অক্টোবর থেকে। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৬৫ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৭ বার, আর কমেছে মাত্র ১৮ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার। স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ২০৫ টাকায়। যা দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯১৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০২ টাকায়। দ্য কমোডিটি ফিউচারস ট্রেড কমিশনও স্বর্ণে বিনিয়োগের সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়। কমিশন বলছে, মূল্যবান ধাতু অনেক বেশি অস্থির। অর্থনৈতিক উদ্বেগের ফলে এর চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও বেড়ে যায়। চলতি বছরের শুরু থেকে অনেকে এতে বিনিয়োগ করে লাভবান হয়েছেন। আবার ক্ষতির মুখে পড়ার উদাহরণও আছে। যেমন গত ২ এপ্রিল ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন বিশ্বজুড়ে পারস্পরিক শুল্কারোপের ঘোষণা দেন, তখনই স্বর্ণের দাম পড়ে যায়। তাই কমোডিটি ফিউচারস ট্রেড কমিশন বলছে, স্বর্ণে বিনিয়োগের আগে নিরাপদ ট্রেডিং প্র্যাকটিস সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখাটা জরুরি। এছাড়া বাজারে সম্ভাব্য প্রতারণা ও নকল থেকেও সতর্ক থাকতে হবে।