১২:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে অটোরিক্সা-ইজিবাইক ধর্মঘটে শহরের জীবন স্তব্ধ

Oplus_16909312

জামালপুরে রবিবার (২ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে অটোরিক্সা ও ইজিবাইক চালক ও মালিকদের ধর্মঘটের কারণে শহরবাসী চরম সমস্যায় পড়েছেন। বিকেল ৩টা পর্যন্ত শহরে কোনো অটোরিক্সা, ইজিবাইক, মিশুক বা অটোভ্যান চলতে দেখা যায়নি।

চালক ও মালিক ঐক্য পরিষদ শহরে লাইসেন্স ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং পাঁচ দফা দাবিতে ধর্মঘট ঘোষণা করেন। সকাল ১১টার দিকে শহরের প্রধান ও অভ্যন্তরীণ সড়ক সম্পূর্ণ ফাঁকা ছিল। যাত্রীরা হেঁটে বা মালামাল মাথায় বহন করে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীরাও হাঁটেই যাতায়াত করতে বাধ্য হন।

শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে চালক ও মালিকরা মিছিল নিয়ে গেটপাড় এলাকায় অবস্থান নেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন। ধর্মঘট চলাকালীন এক দুইটি ইজিবাইক এলেও চালকরা যাত্রীদের নামিয়ে দেন।

যাত্রীরা অভিযোগ করেন, “আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। বেশি ভাড়া দিতে পারি, কিন্তু গাড়ী নেই। দাবি থাকতেই পারে, তবে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কেন?”

অটোরিক্সা ও ইজিবাইক চালকদের অভিযোগ, জামালপুর শহরের আয়ের পরিমাণ কমে গেছে, অথচ পৌরসভা প্রতিবছর নানাভাবে চালক ও মালিকদের কাছ থেকে ফি নিচ্ছে। এর আগে লাইসেন্স ফি ৩,৫০০ টাকা ছিল, এবার ৫০০ টাকা বাড়িয়ে ৪,০০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ইজিবাইক চালকদের এক দিন লাল ও এক দিন সবুজ রং করতে হবে, যা অনেকের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে তারা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।

জামালপুর পৌরসভার প্রশাসক মৌসুমী খানম জানিয়েছেন, চালক ও মালিকেরা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আন্দোলন করেছেন। রং পরিবর্তনের কাজ পৌরসভাই করবে এবং বাড়ানো ৫০০ টাকা লাইসেন্স ফি কর্মশালার আয়ে খরচ করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার পর আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে অটোরিক্সা-ইজিবাইক ধর্মঘটে শহরের জীবন স্তব্ধ

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

জামালপুরে রবিবার (২ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে অটোরিক্সা ও ইজিবাইক চালক ও মালিকদের ধর্মঘটের কারণে শহরবাসী চরম সমস্যায় পড়েছেন। বিকেল ৩টা পর্যন্ত শহরে কোনো অটোরিক্সা, ইজিবাইক, মিশুক বা অটোভ্যান চলতে দেখা যায়নি।

চালক ও মালিক ঐক্য পরিষদ শহরে লাইসেন্স ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং পাঁচ দফা দাবিতে ধর্মঘট ঘোষণা করেন। সকাল ১১টার দিকে শহরের প্রধান ও অভ্যন্তরীণ সড়ক সম্পূর্ণ ফাঁকা ছিল। যাত্রীরা হেঁটে বা মালামাল মাথায় বহন করে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীরাও হাঁটেই যাতায়াত করতে বাধ্য হন।

শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে চালক ও মালিকরা মিছিল নিয়ে গেটপাড় এলাকায় অবস্থান নেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন। ধর্মঘট চলাকালীন এক দুইটি ইজিবাইক এলেও চালকরা যাত্রীদের নামিয়ে দেন।

যাত্রীরা অভিযোগ করেন, “আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। বেশি ভাড়া দিতে পারি, কিন্তু গাড়ী নেই। দাবি থাকতেই পারে, তবে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কেন?”

অটোরিক্সা ও ইজিবাইক চালকদের অভিযোগ, জামালপুর শহরের আয়ের পরিমাণ কমে গেছে, অথচ পৌরসভা প্রতিবছর নানাভাবে চালক ও মালিকদের কাছ থেকে ফি নিচ্ছে। এর আগে লাইসেন্স ফি ৩,৫০০ টাকা ছিল, এবার ৫০০ টাকা বাড়িয়ে ৪,০০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ইজিবাইক চালকদের এক দিন লাল ও এক দিন সবুজ রং করতে হবে, যা অনেকের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে তারা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।

জামালপুর পৌরসভার প্রশাসক মৌসুমী খানম জানিয়েছেন, চালক ও মালিকেরা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আন্দোলন করেছেন। রং পরিবর্তনের কাজ পৌরসভাই করবে এবং বাড়ানো ৫০০ টাকা লাইসেন্স ফি কর্মশালার আয়ে খরচ করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার পর আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

এমআর/সবা