০৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাপ্তাইয়ে দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম (সিসিএইচপি)-এর উদ্যোগে হাসপাতালের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় কাপ্তাই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বিলাইছড়ি উপজেলার কেংড়াছড়ি, রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এতে স্থানীয় হেডম্যান, জনপ্রতিনিধি, গ্রাম উন্নয়ন প্রতিনিধি ও যুব প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রবীর খিয়াং বলেন,
“দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে—প্রস্তুতি, প্রতিরোধ, প্রশমন এবং পুনর্বাসন। এর মধ্যে প্রস্তুতি ও প্রতিরোধই দুর্যোগ মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।”

তিনি আরও বলেন, অপরিকল্পিত বনায়ন ও নির্বিচারে বৃক্ষনিধনের ফলে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, যার প্রভাব বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাধ্যমে আমাদের সামনে ফিরে আসছে। তাই পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সিসিএইচপি-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিজয় মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফেসিলিটেটর উসংবাই মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৩২১ নম্বর রাইখালী মৌজার হেডম্যান উসুয়ে সুয়ে চৌধুরী এবং হিল ফ্লাওয়ার-এর সহকারী প্রোগ্রাম ম্যানেজার জেনিফার অজান্তা তনচংগ্যা।

বক্তারা বলেন, গ্রামীণ ও দুর্গম এলাকায় দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। তাই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান ও তরুণ সমাজকে একযোগে কাজ করে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও সক্রিয় হতে হবে। দুর্যোগের আগে সচেতনতা তৈরি করা গেলে জানমাল রক্ষার পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতিও অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

আইসিবিতে শুরু হলো প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতের প্রদর্শনী

কাপ্তাইয়ে দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৩:০১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম (সিসিএইচপি)-এর উদ্যোগে হাসপাতালের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় কাপ্তাই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বিলাইছড়ি উপজেলার কেংড়াছড়ি, রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এতে স্থানীয় হেডম্যান, জনপ্রতিনিধি, গ্রাম উন্নয়ন প্রতিনিধি ও যুব প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রবীর খিয়াং বলেন,
“দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে—প্রস্তুতি, প্রতিরোধ, প্রশমন এবং পুনর্বাসন। এর মধ্যে প্রস্তুতি ও প্রতিরোধই দুর্যোগ মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।”

তিনি আরও বলেন, অপরিকল্পিত বনায়ন ও নির্বিচারে বৃক্ষনিধনের ফলে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, যার প্রভাব বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাধ্যমে আমাদের সামনে ফিরে আসছে। তাই পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সিসিএইচপি-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিজয় মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফেসিলিটেটর উসংবাই মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৩২১ নম্বর রাইখালী মৌজার হেডম্যান উসুয়ে সুয়ে চৌধুরী এবং হিল ফ্লাওয়ার-এর সহকারী প্রোগ্রাম ম্যানেজার জেনিফার অজান্তা তনচংগ্যা।

বক্তারা বলেন, গ্রামীণ ও দুর্গম এলাকায় দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। তাই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান ও তরুণ সমাজকে একযোগে কাজ করে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও সক্রিয় হতে হবে। দুর্যোগের আগে সচেতনতা তৈরি করা গেলে জানমাল রক্ষার পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতিও অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

শু/সবা