গোপালগঞ্জ -১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী একাংশ) ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল বলে ঘোষণা করেছেন গোপালগঞ্জ রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: আরিফ-উজ-জামান। এ সময় ৯জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেন তিনি।
ওই আসন থেকে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এরমধ্যে এম আনিসুল ইসলাম,আশরাফুল আলম,নাজমুল আলম,মো.কাইয়ুম আলি খান ও সুলতান জামান খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) মনোনীত মো.সেলিমুজ্জামান মোল্লা,গন অধিকার পরিষদ
মনোনীত মো. কাবির মিয়া,ইসলাম আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মো.মিজানুর রহমান,জনতার দল মনোনীত মো.জাকির হোসেন, বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী মনোনীত মোহাম্মাদ আবদুল হামিদ মোল্লা,কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত নীরদ বরন মজুমদার,এবি পার্টি মনোনীত মো. প্রিন্স আল আমিন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত ইমরান হুসাইন আফসারি মনোনয়ন পত্র জমা দেন।
আজ শনিবার বেলা ১০ থেকে ১২ পর্যন্ত রেটারিং কর্মকর্তা ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংসদীয় আসন- ২১৫ গোপালগঞ্জ -১ ( মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী একাংশ) প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ওই —- প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বলে ঘোষনা করা হয়।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া ওই ৪প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও একজন গন অধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী ।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ওই আসনের মোট ভোটারের মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু ওই এক শতাংশ স্বাক্ষরের সঠিক না থাকায় অবৈধ ঘোষণা করা হয়। স্বতন্ত্র ওই তিন প্রার্থীরা হলেন আশরাফুল আলম,নাজমুল আলম ও মো.কাইয়ুম আলি খান।
ঋণ খেলাফির অভিযোগে ওই আসনের গণধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মো.কাবির মিয়া মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো.আরিফ-উজ-জামান।
এদিন বেলা ১২ টা থেকে ২ পর্যন্ত গোপালগঞ্জ-২ ও বেলা ৩ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জ -৩ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই হবে।
শু/সবা





















