মতপ্রকাশ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জানাতে রাজধানীতে শুরু হয়েছে গণমাধ্যম সম্মিলন।
শনিবার সকাল ১০টার পর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে এই সম্মেলন শুরু হয়। পরে সংবাদপত্রের ওপর বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের ইতিহাস তুলে ধরা হয়।
রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন কমপ্লেক্স মিলনায়তনে শুরু হওয়া এই সম্মিলন চলবে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত।
সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ যৌথভাবে এই সম্মিলনের আয়োজন করেছে।
নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদের সব সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম, ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা এবং ঢাকার বাইরে কর্মরত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের সম্পাদক-প্রকাশকদের সম্মিলনে অংশ নিয়েছেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে সংগঠিত সহিংসতায় (মব ভায়োলেন্স) আক্রান্ত। মতপ্রকাশ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ধারাবাহিকভাবে সংঘটিত এ হামলা নজিরবিহীন। এসব ঘটনার প্রতিবাদ এবং স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জানাতে সম্পাদক পরিষদ ও যৌথভাবে একটি গণমাধ্যমকর্মী সম্মিলনের আয়োজন করেছে।
এর আগে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ এবং নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীরকে হেনস্তা করার প্রতিবাদে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘মব ভায়োলেন্সে আক্রান্ত বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২২ ডিসেম্বর নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত ওই সভায় সাংবাদিক মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দেন নোয়াব সভাপতি এ. কে. আজাদ।
এমআর/সবা


























