6:30 am, Tuesday, 28 April 2026

লাখ লাখ তলোপোকা, ইঁদুরের বষ্ঠি নিয়ে অভিযান

নগরের জিইসি মোড়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান চলাকালে নজরে আসে লাখ লাখ তলোপোকা এবং ইঁদুরের তাজা বষ্ঠি জমে থাকা অবস্থা। মনে হতে পারে এটি তলোপোকার খামার।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডডি) ফয়জে উল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, “দোকানটি একেবারেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালিত হচ্ছিল। খাদ্যপণ্যের ঢাকনার উপর ইঁদুরের বষ্ঠি পড়ে আছে। এমন অবস্থায় কীভাবে মানুষ নিরাপদভাবে খাবার গ্রহণ করবে?”

তিনি দোকান মালিক জামাল আহমদকে তোপ দিতেও বলেন, “লাখ লাখ তলোপোকা আপনার কাছে। যদি আপনি নিজের প্রতিষ্ঠান ঠিক রাখতে না পারেন, তাহলে ব্যবসা করবেন না। এভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি করা চলবে না। আপনি জরিমানা এড়াতে পারবেন না। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে দোকান পরিচালনা করতে হবে। মানুষদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এভাবে বাড়ানো যায় না।”

অভিযান চলাকালে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও সাময়িকভাবে সীলগালা করা হয়।

একই অভিযানে মরেডিয়ান রেস্তোরাঁ থেকে বাসি মুরগি মাংস ও অপরিষ্কৃত পরিবেশে উৎপাদিত খাবার উদ্ধার করা হয়। অনুমোদনবিহীন ময়দা ব্যবহার ও অন্যান্য নিয়ম অমান্য করার কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া কামাল জনোরেল স্টোর থেকে অনুমোদনহীন ও নকল পণ্য পাওয়ায় ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ফয়জে উল্লাহ আরও জানান, “ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে স্বাস্থ্যবিধি ও অনুমোদন অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ করতে হবে।”

শু/সবা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

10 + 11 =

Popular Post

বিমানবন্দরে জোরদার নিরাপত্তা, শাহজালালে বাড়তি নজরদারি

লাখ লাখ তলোপোকা, ইঁদুরের বষ্ঠি নিয়ে অভিযান

Update Time : ০৫:২০:৩৮ pm, Friday, ৬ মার্চ ২০২৬

নগরের জিইসি মোড়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান চলাকালে নজরে আসে লাখ লাখ তলোপোকা এবং ইঁদুরের তাজা বষ্ঠি জমে থাকা অবস্থা। মনে হতে পারে এটি তলোপোকার খামার।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডডি) ফয়জে উল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, “দোকানটি একেবারেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালিত হচ্ছিল। খাদ্যপণ্যের ঢাকনার উপর ইঁদুরের বষ্ঠি পড়ে আছে। এমন অবস্থায় কীভাবে মানুষ নিরাপদভাবে খাবার গ্রহণ করবে?”

তিনি দোকান মালিক জামাল আহমদকে তোপ দিতেও বলেন, “লাখ লাখ তলোপোকা আপনার কাছে। যদি আপনি নিজের প্রতিষ্ঠান ঠিক রাখতে না পারেন, তাহলে ব্যবসা করবেন না। এভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি করা চলবে না। আপনি জরিমানা এড়াতে পারবেন না। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে দোকান পরিচালনা করতে হবে। মানুষদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এভাবে বাড়ানো যায় না।”

অভিযান চলাকালে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও সাময়িকভাবে সীলগালা করা হয়।

একই অভিযানে মরেডিয়ান রেস্তোরাঁ থেকে বাসি মুরগি মাংস ও অপরিষ্কৃত পরিবেশে উৎপাদিত খাবার উদ্ধার করা হয়। অনুমোদনবিহীন ময়দা ব্যবহার ও অন্যান্য নিয়ম অমান্য করার কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া কামাল জনোরেল স্টোর থেকে অনুমোদনহীন ও নকল পণ্য পাওয়ায় ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ফয়জে উল্লাহ আরও জানান, “ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে স্বাস্থ্যবিধি ও অনুমোদন অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ করতে হবে।”

শু/সবা