চট্টগ্রামে গ্যাস সংকটে দুই সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ » দৈনিক সবুজ বাংলা
০১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকটে দুই সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের রাষ্ট্রায়ত্ত দুই সার কারখানা—চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (CUFL) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (KAFCO)—এর উৎপাদন বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল ৩টা থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে।

তবে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের ইউরিয়া উৎপাদন এখনও চালু রয়েছে। CUFL সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটি সম্পূর্ণ ক্ষমতায় চালু থাকলে দৈনিক ১১ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদন করা সম্ভব। প্রতি টন সার ৩৮ হাজার টাকায় হিসাব করলে, দৈনিক উৎপাদন মানে প্রায় চার কোটি ১৮ লাখ টাকার সমমানের সার উৎপাদন হয়।

সম্পূর্ণ উৎপাদনের জন্য গ্যাসনির্ভর এই কারখানায় দৈনিক প্রায় ৪৮–৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। গত অর্থবছরে গ্যাস সংকট ও যান্ত্রিক সমস্যার কারণে কারখানায় প্রায় আড়াই লাখ টন ইউরিয়া উৎপাদন হয়েছে।

বাংলাদেশে কৃষিভিত্তিক ইউরিয়ার চাহিদা বছরে প্রায় ২৬ লাখ টন। এর মধ্যে CUFLসহ বেসরকারি ও সরকার নিয়ন্ত্রিত কারখানাগুলো প্রায় ১০ লাখ টন উৎপাদন করে, বাকি ১৬ লাখ টন আমদানি করতে হয়।

CUFL’র কর্মকর্তারা জানান, গ্যাসনির্ভর কারখানা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বিভিন্ন যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেয়। ফলে কারখানাটি চালু হওয়ার পরও উৎপাদনে বিলম্ব হয়। CUFL সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছরে কারখানা কখনও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে, আবার কখনও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল।

CUFL-এর উৎপাদন বিভাগের প্রধান উত্তম চৌধুরী বলেন, “বুধবার বিকেলে কারখানার ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ ফিরে এলে উৎপাদন পুনরায় শুরু করা হবে।”

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানবন্দরে জোরদার নিরাপত্তা, শাহজালালে বাড়তি নজরদারি

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকটে দুই সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের রাষ্ট্রায়ত্ত দুই সার কারখানা—চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (CUFL) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (KAFCO)—এর উৎপাদন বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল ৩টা থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে।

তবে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের ইউরিয়া উৎপাদন এখনও চালু রয়েছে। CUFL সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটি সম্পূর্ণ ক্ষমতায় চালু থাকলে দৈনিক ১১ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদন করা সম্ভব। প্রতি টন সার ৩৮ হাজার টাকায় হিসাব করলে, দৈনিক উৎপাদন মানে প্রায় চার কোটি ১৮ লাখ টাকার সমমানের সার উৎপাদন হয়।

সম্পূর্ণ উৎপাদনের জন্য গ্যাসনির্ভর এই কারখানায় দৈনিক প্রায় ৪৮–৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। গত অর্থবছরে গ্যাস সংকট ও যান্ত্রিক সমস্যার কারণে কারখানায় প্রায় আড়াই লাখ টন ইউরিয়া উৎপাদন হয়েছে।

বাংলাদেশে কৃষিভিত্তিক ইউরিয়ার চাহিদা বছরে প্রায় ২৬ লাখ টন। এর মধ্যে CUFLসহ বেসরকারি ও সরকার নিয়ন্ত্রিত কারখানাগুলো প্রায় ১০ লাখ টন উৎপাদন করে, বাকি ১৬ লাখ টন আমদানি করতে হয়।

CUFL’র কর্মকর্তারা জানান, গ্যাসনির্ভর কারখানা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বিভিন্ন যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেয়। ফলে কারখানাটি চালু হওয়ার পরও উৎপাদনে বিলম্ব হয়। CUFL সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছরে কারখানা কখনও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে, আবার কখনও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল।

CUFL-এর উৎপাদন বিভাগের প্রধান উত্তম চৌধুরী বলেন, “বুধবার বিকেলে কারখানার ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ ফিরে এলে উৎপাদন পুনরায় শুরু করা হবে।”

শু/সবা