মোছাঃ সেতু খাতুন
তামিম ইকবাল খান নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ ক্রিকেটে অন্যতম সেরা ওপেনার এবং টপ মোস্ট রান রেকর্ডার। বাংলাদেশের মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। বিশেষভাবে ক্রিকেট প্রেমী দের কাছে। ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে বাংলাদেশের ১৫ হাজার রান রয়েছে তামিমের। ৩৮৫ ম্যাচে ৩৫.৩৯ গড়ে তার সংগ্রহ ১৫১৪৮ রান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তামিমের সেঞ্চুরির সংখ্যা মোট ২৫টি।এর মধ্যে ওডিআই ক্রিকেটে তার সেঞ্চুরির সংখ্যা ১৪ টি এবং এ ফরমেটে হাফ সেঞ্চুরির সংখ্যা ৫৬ টি।টেস্ট ক্রিকেটে তার সেঞ্চুরির সংখ্যা ১০ টি এবং টি২০ তে তার সেঞ্চুরি রয়েছে ১ টি।তিনিই একমাত্র ব্যাটসম্যান যা বাংলাদেশ ক্রিকেট এ আর কারো নেই। এতোদিন আমরা ক্রিকেটার খান সাহেব কে জানতাম এখন আমরা জানবো ধারাভাষ্যকার খান সাহেব। গতকাল বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচ চলাকালীন তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধারাভাষ্যকার হিসেবে অভিষেক ঘটে। তিনি প্রথম ধারাভাষ্য দিয়েছিলেন গত ২০২০ বিপিএল আসরে খুলনা টাইগারস্ বনাম চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জারস্ এর এলিমিনেটর ম্যাচে সেই তার প্রথম শুরু।তিনি বিষয় টি আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছেন যেহেতু এটা তার পছন্দের জায়গা। তাই তার ১দিন আগে তিনি তার ভেরিফাইড ফেইসবুক পেজে তা শেয়ার করে এবং অনেক এক্সাইটমেন্ট ও প্রকাশ করে এবং সময় ও জানিয়ে দেন।তার কালকের ম্যাচে প্লট ছিল দুপুর ১২:৪০ থেকে ১:১০ এবং ১:৪০ থেকে ২:১০ পর্যন্ত। তিনি তা সুন্দরভাবে শেষ করেন।তিনি নিজেও বিষয় টি উপভোগ করেছেন বলে মনে হচ্ছে। এক সাক্ষাৎকারে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর কোচিং প্যানেলের সাথে থাকতে চান কি না? তিনি জবাবে বলেছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর কোচিং প্যানেলের এসব কোনটার সাথে তিনি থাকবেন না তবে ধারাভাষ্যকার এর প্রতি তার একটি সফট কর্ণার রয়েছে। সে জায়গা থেকে তিনি তা ভেবে দেখতে পারেন।তামিম ইকবাল নিজেও কাল অনেক আনন্দের সাথে আতাহার আলি সহ আরো যারা যারা ছিল তাদের সাথে কমেন্ট্রি বক্স শেয়ার করেছেন।তামিম প্রেমি রা তার প্রতি মুগ্ধ এবং তা অনেকে প্রকাশ করছেন।তামিম এর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এ ধারা অব্যহত থাকবে এই প্রত্যাশা প্রতি টি তামিম প্রেমীর।তিনি হয়তো তার ভক্তদের হতাশ করবেন না এমন টাই তিনি গতকাল সন্ধ্যায় তার নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেজে জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন
“এই মাঠে তো অসংখ্যবারই এসেছি, তবে এবারের আসা অন্যরকম। অভিষেকের রোমাঞ্চের ছোঁয়া পেলাম যেন নতুন করে।
আগে খানিকটা ধারাভাষ্য দিয়েছি বিপিএলে। তবে আন্তর্জাতিক ম্যাচ, বিশেষ করে টেস্ট ম্যাচে ধারাভাষ্যের ব্যাপারটিই তো আলাদা। শুরুর দিনটি দারুণ উপভোগ করেছি। আমার সহ-ধারাভাষ্যকার যারা ছিলেন, প্রডিউসার ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা আমার উপস্থিতিকে আনন্দময় করে তোলার জন্য। আশা করি, খুব দ্রুতই মাইক্রোফোন হাতে আবার দেখতে পাবেন আমাকে”
অর্থাৎ তিনি নিশ্চিত করেছেন মাইক্রোফোন হতে আবার ও ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখবো আমরা তাকে।
লেখক পরিচিতি : মোছাঃ সেতু খাতুন
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

























